কত কেজি বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হয়? জেনে নিন সঠিক তথ্য

অনেক গর্ভবতী মা জানে না যে, কত কেজি বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হয়? এজন্য অবশ্যই একজন গর্ভবতী মায়ের গর্ভস্থ শিশুর ওজন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। চলুন, বাচ্চার ওজন কত হলে নরমাল ডেলিভারি হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
অনেক গর্ভবত মা জানতে চায় যে, নরমাল ডেলিভারি সম্পর্কে, সেজন্য আপনাকে সঠিক তথ্য জানতে হবে। কেননা অনেক মা এই সময় মানসিক চাপে থাকেন। তাই কত কেজি বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হয়? সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

একজন গর্ভবতী মা গর্ভস্থ শিশুর ওজন কতটুকু হবে সেটা জানা খুবই প্রয়োজন কেননা বাচ্চার ওজনের উপর নির্ভর করবে নরমাল ডেলিভারি হবে কি হবে না এছাড়াও গর্ভস্থ শিশুর সুস্থ হওয়ার জন্য সঠিক ওজনের প্রয়োজন এজন্য গর্ব অবস্থায় গর্ভবতী অবস্থায় অবশ্যই আপনার সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং সঠিক ওজন হওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে একজন গর্ভবতী মায়ের বাচ্চা গর্ভে আসার পর থেকে বাচ্চা হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ১০ থেকে ১২ কেজি ওজন হতে হবে একজন গর্ভবতী মায়ের তাহলেই বাচ্চাটি সঠিক ওজনে হবে তাই একজন গর্ভবতী মায়ের এই সময়ে খুবই সচেতন হতে হবে

একজন গর্ভবতী মায়ের গর্ভস্থ শিশু যখন জন্ম নেয় সাধারণত তার ও ওজন হতে হবে শিশুটির ওজন হতে হবে 2.5 থেকে ৩.৫ কেজির মতো এরকম ওজন যদি হয়ে থাকে তাহলে নরমাল ডেলিভারি হবে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তবে যদি ২ কেজি ২.৫ কেজি কম ওজনের বাচ্চা হয় সে ক্ষেত্রে সেটা অল্প অল্প ওজনের বাচ্চা বলা হয়ে থাকে যেটা অপুষ্টিকর মাধ্যমে বলা হয়ে থাকে এছাড়া যদি ৩.৫ কেজের উপরে এখন বেশি হয়ে যায় ওজন সে ক্ষেত্রে বলা হয় ম্যাক্রসোমিয়া যা বাচ্চা প্রসবের ক্ষেত্রে জটিল আকার দখল করতে পারে সে ক্ষেত্রে আপনারা সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার ক্ষেত্রে গর্ভবতী মায়ের কিছু বিষয় কষ্ট থাকে তার মধ্যে নতুন পেলভিস যথেষ্ট পরিমাণ প্রশস্ত হতে হবে এতে বাচ্চার যদি ওজন বেশি হয় সে ক্ষেত্রেও নরমাল ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে এছাড়াও গর্ভবতী মায়ের গর্ভস্থ শিশুর মাথা যদি নিচের দিকে থাকে এবং সঠিক অবস্থায় থাকে তাহলে নরমাল ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে তাছাড়া একজন গর্ভবতী মা যদি ডায়াবেটিস হয় প্রেসার এবং বড় ধরনের থাকে তাহলে তাদের নরমাল ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে এবং বড় ধরনের হতে পারে তাদেরকে অবশ্যই সিজার করতে হবে

এছাড়া গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এর গর্ভবতী মায়ের সাধারণত 38 থেকে 41 সপ্তার মধ্যেই বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এক্ষেত্রে ব্যবহৃত মায়ের ওসব বেদনা কতটুকু হবে এবং পেলভিক আকার কেমন হবে সেটা নির্ভর করবে নরমাল ডেলিভারি ক্ষেত্রে এছাড়া বাচ্চার অবস্থান কেমন আছে সেটাও নির্ভর করবে নরমাল ডেলিভারি ক্ষেত্রে আর যদি গর্ভবত সে ক্ষেত্রে সিজারের প্রয়োজন হবে তাই গর্ভাবস্থায় আলট্রাসনোগ্রাফি করতে হবে এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে বাদশার সঠিক ওজন জেনে নিতে হবে তাহলে একজন চিকিৎসক আপনার সকল পজিশন বুঝে এরপরে তিনি সিদ্ধান্ত নেবে এটা নরমাল ডেলিভারি হবে নাকি সিজারিয়াল হবে

একজন গর্ভবতীর নরমাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যেমন শাকসবজি ফলমূল পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার গুলো খেতে হবে যেন গর্ভস্থ শিশুর ওজন ঠিক থাকে এছাড়াও গর্ভবতী মা যেন শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন তাছাড়া ও গর্ভবতী মা খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই হালকা ব্যায়াম করতে পারেন যেমন হাঁটা চলাফেরা করা যেতে পারে এই ক্ষেত্রে নরমাল ডেলিভারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে তাছাড়া গর্ভবতী মা সাধারণত যদি তার নিয়ম অনুযায়ী চেকআপ করতে হবে কমপক্ষে চারটি চেকআপ করতে হবে

তাহলে বাচ্চা ওজন কতটুকু হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে খাবার দাবার এবং ওষুধের ব্যবস্থা করা যেতে পারে কেননা একটি শিশুর সুস্থ হওয়ার জন্য অবশ্যই তার ওজনের প্রয়োজন এছাড়াও সঠিক ওজন হলে নরমাল ডেলিভারি হবে এতে করে একজন গর্ভবতী মা সুস্থ এবং ভালো থাকবেন তাই একজন গর্ব অবস্থায় সাধারণত গর্ভবতী মায়ের সাধারণত সঠিক শরীরের পরিচর্যা করা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা এছাড়াও খাবার গ্রহণ করা লাগবে তাহলে সঠিক ওজন পাওয়া যাবে এজন্য আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলো সঠিকভাবে পালন করতে হবে তাহলে আপনি সঠিকভাবে নরমাল ডেলিভারি করতে সক্ষম হবে আশা করি কত কিছু ওজনের বাচ্চা হলে আপনার নরমাল ডেলিভার হবে সে সম্পর্কে বুঝতে পেরেছি

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।