দেশি মুরগির গুটি বসন্ত রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুন
সাধারণত দেশি মুরগিগুলোর খুবই ছোটবেলায় দুটি বসন্ত হোক হয়ে থাকে যার কারণে এর সঠিক চিকিৎসা না করলে আপনার বাচ্চাগুলো অসুস্থ হয়ে মারা যেতে পারে তাই এই সময়টিতে আপনাকে বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বিশেষ করে ১ থেকে ৩০ দিন বয়সের দেশি মুরগি বাচ্চার দুটি বসন্ত সম্পর্কে যদি আপনার বাচ্চাগুলো মুরগির বাচ্চা গুলোর প্রতি বসন্ত হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে না পারছিরা নাপা সিরাপ এক এমএল এক লিটার পানিতে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন দুই বেলা করে খাওয়াতে পারেন এতে করে আপনার মুরগির বাচ্চা গুলো দ্রুত সুস্থ হবে এবং অবশ্যই আক্রান্ত বাচ্চাগুলো আলাদা করতে হবে
এই সময়ে মুরগির বাচ্চাগুলোর সাধারণত গুটি বসন্ত হওয়ার কারণে শরীরের প্রচণ্ড পরিমাণ জ্বর থাকে তাই অবশ্যই জ্বরের ওষুধ দিতে হবে পাশাপাশি যদি ঠান্ডার সমস্যা থাকে তাহলে ঠান্ডার ওষুধে দেওয়া যেতে পারে তাছাড়া যে সকল স্থানে দুটি বসন্ত হয়েছে সেই সকল আক্রান্ত স্থানগুলোতে হলুদের গুড়া ও এর সাথে সরিষার তেল মিশিয়ে লাগিয়ে দিতে পারেন দ্রুত সুস্থ হবে তাছাড়া সবচাইতে বেশি কার্যকারীদের ওষুধ হল কটার এক ধরনের পটাশ পাওয়া যায় সেগুলো আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে দিতে হবে তবে ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যেন চোখের ভিতরে না যায় আর যদি চোখের মধ্যেও এই আক্রান্ত হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে চোখের ড্রপ দিতে হবে
তাছাড়া আক্রান্ত মুরগির বাচ্চা গুলোকে ভালো মানের খাবার দিতে হবে খেতে পেরে তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকবে তাহলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে যদি আপনার বা মুরগির বাচ্চাগুলো র বয়স ৩৫ দিন হয়ে যায় অবশ্যই সেক্ষেত্রে অবশ্যই এর টিকা দিতে হবে তাহলে এই ফাউলক্স ফাউল পক্স হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না অনেক মুরগির বাচ্চা গুলো সাধারণত চোখের ভিতরে ফুলে যায় চোখ বন্ধ হয়ে যায় এমনকি চোখ দিয়ে পানি আসে অবশ্যই তুলা তুলার সাহায্যে সুন্দর করে চোখ পরিষ্কার করতে হবে এর পরে চোখের ড্রপ দিতে হবে
এছাড়াও অনেক বাচ্চার দেখা যাচ্ছে চোখের মধ্যে থেকে সাদা এক ধরনের পদার্থ বের হয় এটা আপনাকে সাবধানে এগুলো বের করে পরিষ্কার করতে হবে এরপরে চোখের ড্রপ দিতে হবে দিনে দুইবার করে সি বোর্ড এক্স শুভ সিভোডেক্স ভেট নামের এক ধরনের চোখের ড্রপ পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে দুই ফোটা করে দিনে দুইবার দেওয়া যাবে এটা দ্রুত চোখের সমস্যা সমাধান হবে তাই প্রত্যেকটা ছোট বাচ্চাগুলোর খুবই যত্ন নিতে হবে তা না হলে বাচ্চা বাঁচানো কঠিন হয়ে যাবে এটা আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন
ছোট বাচ্চাদের সাধারণত এই ধরনের বসন্ত আমার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে বিশেষ করে মশার কামড়ে এই ধরনের বসন্ত বেশি উঠে থাকে তাই অবশ্যই আপনাকে কথা গুলো মুরগির বাচ্চাগুলোকে মশারি দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন অথবা কয়েল ব্যবহার করতে পারেন তবে দীর্ঘ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার আসতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো বাতাস লাগিয়ে রোকন ব্যবস্থা করতে হবে এছাড়াও রাত্রিতে আপনি জানিয়ে দিতে পারেন সন্ধ্যার আগে কয়েল লাগানোর চেষ্টা করবেন তাতে মশা দ্রুত চলে যাবে কেননা এই সময় বেশি মশা কামড় দিয়ে থাকে এতে করে বাচ্চা এই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে হয়
বসন্ত সাধারণত বসন্ত ছোটবেলায় হয়ে থাকে বিশেষ করে একসাথে অনেকগুলো মুরগী রেখে দিলে এই ধরনের রোগ হতে পারে তাছাড়াও খামারে একসাথে যদি ভেজা থাকে আশেপাশে পানি জমলে এতে করে মশার উপরে বেশি হয়ে যায় দেখা যায় মুরগির নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়াতে থাকে মৌমিত প্রাথমিকভাবে সে ক্ষেত্রে কিন্তু সরাতে পারে ঠোকরার শক্তি দেখবেন সাধারণত এই রোগের লক্ষণগুলো হলো মুরগির বাচ্চা ভুতে থাকে ঝিমাতে থাকবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে আলাদা করতে হবে খেতে দেখা যাচ্ছে তার ঠোঁটের এবং নাকের চোখের দিকে সকল কিছু পরিবর্তন হবে দেখা যাচ্ছে নাকের ভিতর বারেবারে চুলকাতে শুরু করবে এবং প্রচন্ড পরিমাণ জ্বর থাকবে
দেখবেন যখন বাচ্চা আর খাচ্ছে না এবং পছন্দের চরে কাঁপছে সেক্ষেত্রে অবশ্যই কিন্তু চিকিৎসা নিতে হবে এজন্য আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে সেক্ষেত্রে শীতকালে অবশ্যই আপনাকে গরম রাখতে হবে এবং গ্রীষ্মকালে অবশ্যই ঠান্ডা রাখতে হবে বাতাসের আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এছাড়াও বসন্ত রোগ দিতে হবে এক্ষেত্রে অবশ্যই মুরগির প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভিটামিন সি দেওয়া যেতে পারে বিশেষ করে লেবুর রস দিয়ে শরবত বানিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে এছাড়াও আক্রান্ত স্থানটা মুছে দেওয়া হতে পারে এবং জীবাণ করতে পারেন তাছাড়াও অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক এমন কিছু ছিলেন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url