সরকারি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির বই ও প্রস্তুতি সম্পর্কে জেনে নিন

অনেকে জানতে চায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির বই সম্পর্কে। তাই তৃতীয় শ্রেণীর চাকরি প্রার্থীদের অবশ্যই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই পড়তে হবে। তাই চলুন, যে সকল বই এর মাধ্যমে তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির পাবেন সেটা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
যারা মোটামুটি মানের ছাত্র রয়েছেন তারা সাধারণত তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীতে আবেদন করে দেখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো শিখতে পারে এবং আনন্দ পাবে। চলুন, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির বই ও প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টসূচিপত্রঃসরকারি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির বই ও প্রস্তুতি সম্পর্কে জেনে নিন

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির বই

অনেকে তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলো কিভাবে প্রস্তুতি নেবে জানেনা। তাই তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির বই সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি অতি দ্রুত প্রস্তুতি নিতে পারবেন। চলুন, এই সকল চাকরির বইগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।

তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে সাধারণত এমসিকিউ প্রশ্ন হয়ে থাকে আবার অনেক সময় সংক্ষিপ্ত আকারে লিখিত হয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রে বাংলা ইংরেজি গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান কম্পিউটার ইত্যাদি বিষয়গুলোতে সর্বমোট ৮০ নাম্বারের হয়ে থাকে। আবার কোন সময় ৭০ নাম্বারের পরীক্ষা হয়। বাকি নাম্বারগুলোতে ভাইবা নেওয়া হয় এজন্য কিছু বই পড়লে আপনি ওদের সহজেই এসব প্রশ্নগুলো সমাধান করতে পারবেন। বিশেষ করে জব সলিউশন বইটা যদি আপনি আত্মস্থ করতে পারেন তাহলে অতি দ্রুত তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলো হয়ে যাবে। আর যদি আপনার প্রিপারেশন ভালো না থাকে তাহলে সিটকে পড়বেন।

বিগত সালের প্রশ্ন বেশি করা হয়ে থাকে প্রায় পরীক্ষার মধ্যে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ প্রশ্ন বিগত সালে থেকেই আসা। সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন চাকরীর পরীক্ষার চাইতে চাকরিটা খুবই সহজভাবে পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে আপনি ভালো মানের একটি বই নিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারেন, এছাড়াও বাজারে বিভিন্ন ধরনের বই পাওয়া যায় সেগুলো আপনি দেখতে পারেন। তবে তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে বলা যেতে পারে যে এসব পরিবেশ সাধারণত বিগত প্রশ্ন গুলোর মধ্যে থেকে পাশে থেকে ৯০% পাওয়া গেছে।

এই সকল চাকরির জন্য বাংলা বিষয় যেভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন এবং যে বস্তুর যে বইটা আপনি কিনতে পারেন, সে সম্পর্কে চলুন পরামর্শ দেওয়া যায়। প্রথমত বলব যদি আপনি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা দিতে যে কোন চাকরি ক্ষেত্রে ভাইভা দিতে যাবেন বা প্রশ্ন করবে সে ক্ষেত্রে প্রশ্নগুলো সেটআপ করে রাখবেন। এজন্য অবশ্যই বিগত প্রশ্নগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবেন তাহলে অতি দ্রুত চাকরির পরীক্ষায় কমন পাওয়া যাবে, সে ক্ষেত্রে বাংলা বিষয় যেভাবে আপনি প্রস্তুতি নিতে পারেন এবং বিগত সালের প্রশ্নগুলো পড়ে সাহিত্য বিষয়ক প্রাচীন যুগের চর্যাপদ মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ।

এই সকল চাকরির জন্য ইংরেজি প্রস্তুতি ভালোভাবে নিতে হবে এক্ষেত্রে দুটি অংশ থেকে আপনার প্রশ্ন হয়ে থাকে। একটি হলো গ্রামার আর একটি হল সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন হয়ে থাকে এক্ষেত্রে বিগত সালের প্রশ্নগুলো আপনি বিশ্লেষণ করে দেখতে পারেন। লিটারেচারের অংশ মাত্র দুই থেকে একটি হয়ে থাকে আবার কোন কোন পরীক্ষায় এজন্য বিগত সালের প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করবেন। সাহিত্য অংশ থেকে বেশি একটা প্রশ্ন হয় না, সে ক্ষেত্রে দুই থেকে একটি প্রশ্ন হয় আবার কোন কোন পরীক্ষায় একটাও আসেনা। তাই এই অংশকে কম গুরুত্ব দিয়ে যথাযথ প্রশ্ন হচ্ছে নিতে থাকে তাহলে তোদের মত প্রমান।

চাকরি পরীক্ষার ক্ষেত্রে গণিত বিষয়ে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে এক্ষেত্রে পাটি, বীজগণিত জ্যামিতি প্রত্যেকটা অংশের ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে পড়ালেখা করলে আপনি দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে পারবেন। তাছাড়াও সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতি নিতে পারেন কেননা এই ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক বিষয়ে এবং সে ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য মুক্তিযোদ্ধা বিষয়গুলো নিয়েও কিছু প্রশ্ন হয়ে থাকে। বিচার বিভাগ স্বাধীন বিভাগ বাংলাদেশের সংস্কৃতি যোগাযোগ ব্যবস্থার বাংলাদেশের সম্পদ ইত্যাদি বিষয় কিন্তু ভারতের সাথে হয়। তাছাড়া আন্তর্জাতিক বিষয়ে আপনাকে বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক পাহাড় পর্বত খাল বিল প্রণালী খাল ইত্যাদি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।