ছেলে সন্তান কত দিনে হয় জেনে নিন সম্ভাব্য সময়কাল

অনেক নারী জানতে চায় যে, ছেলে সন্তান কত দিনে হয়? ছেলে বা মেয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই হবে। এক্ষেত্রে কোন পার্থক্য নাই। চলুন, ছেলে বা মেয়ে সন্তান কত দিনের মধ্যে জন্ম হতে পারে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
ছেলে বা মেয়ে সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে কম বেশি হবে? এ ধরনের নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই। তাছাড়া এই ধরনের কোন বৈজ্ঞানিক ধারণা নেই। তাই ছেলে সন্তান কত দিনে হয়? এ সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টসূচিপত্রঃছেলে সন্তান কত দিনে হয় জেনে নিন সম্ভাব্য সময়কাল

ছেলে সন্তান কত দিনে হয়

গর্ভবতী মায়েরা সাধারণত জানতে চায় যে, ছেলে সন্তান কত দিনে হয়? আসলে এটা নির্ভর করবে সন্তানের নির্ধারিত সময়কালের উপরে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পর্কে জানা দরকার। চলুন, ছেলে সন্তান কত দিনের মধ্যে হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

অধিকাংশ গর্ভবতী মায়েরা খুবই আগ্রহ থাকে ছেলে সন্তানের। তবে যে সন্তান হোক না কেন,উভয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হয়ে থাকে এবং পূর্ণ সময়ে হওয়ার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই ক্ষেত্রে আপনার শেষ পিরিয়ড থেকে গণনা করে ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যে হয়ে থাকে। সেটা ছেলেই হোক আর মেয়ে হোক কিন্তু কোন নির্দিষ্ট করে সময় ভাগ করা নেই, যে ছেলে সন্তানের জন্য বেশি সময় লাগবে এবং মেয়ে সন্তানের জন্য কম সময় লাগবে। উভয়ের একই সময়ে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে, তবে কোন কোন সময় ছেলে বা মেয়ে অনেক সময় আগেই হয়ে যায়।
তবে গবেষণা করে দেখা গেছে যে ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যেই অধিকাংশ সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকে। সেটা ছেলেই হোক বা মেয়ে হোক তবে অনেকেই বলে থাকে যে ছেলে সন্তান সাধারণত মেয়ের সন্তানের চাইতে একটু তিন দিন পরে হতে পারে। এটা খুবই কম দেখা যায়, তবে কোন বৈজ্ঞানিক তথ্য আজও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হয় যে ছেলে সন্তান সাধারণত ৩৯ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যেই হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ৭ দিন কম বেশি হতে পারে, সে হিসেবে বলা যায় যে ছেলে বা মেয়ে সন্তান সাধারণত ২৬৬ দিন থেকে ২৮০ দিনের মতো সময় লাগে।

সাধারণত গর্ভবতী মায়েদের ৪০ সপ্তাহ বা ৯ মাস পূর্ণ করেই অধিকাংশ বাচ্চা জন্মগ্রহণ করে থাকে। সেই হিসেবেই গণনা করা হয়ে থাকে, এই ৯ মাস পরে নবজাতকের জন্ম হয়ে থাকে। ৯ মাস পরে কিন্তু জন্ম হয়ে থাকে, সেটা ছেলে হোক বা মেয়ে হোক এর ক্ষেত্রে একই সময় ধরা হয়ে থাকে বা ৪০ সপ্তাহ ধরা হয়ে থাকে। তাই গর্ভাবস্থায় পূর্ণ সময় হয়ে গেলে লিঙ্গের সময় নির্ধারণ একই এবং পূর্ণ বিকাশ হয়ে জন্মগ্রহণ করে থাকে। তাই ছেলে সন্তান পরে হবে এটা কুসংস্কার কথা, কেননা উভয় সন্তানের একই সময়ে হয়ে থাকে এতে কোন সময়ের পার্থক্য নাই।

গর্ভাবস্থায় শিশুর বিকাশ

গর্ভাবস্থায় শিশুর কিভাবে বিকাশ ঘটে সেটা জানা প্রয়োজন। তাই গর্ভাবস্থায় শিশুর বিকাশ সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে। চলুন, কিভাবে গর্ভস্থ শিশুর বিকাশ ঘটেছে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

প্রথম ১৩ সপ্তাহে এই সময় বাচ্চার বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নির্ধারণ হয়ে থাকে কিন্তু সাধারণত বোঝা যায় না। ২০ সপ্তাহের মত সময় লাগতে পারে তবে এই সময়ে বৃদ্ধি পায় এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠন হতে থাকে। তাছাড়া ১৪ থেকে ২৬ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা অনেক বৃদ্ধি পায় এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলো বড় হতে থাকে। এই সময়ে বাচ্চা ছেলে না মেয়ে নির্ধারণ করা যায় ২৭ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার প্রায় পূর্ণ বিকাশ হয়ে যায়। সেই সময় জন্মের জন্য প্রস্তুত হয় ৩৭ সপ্তাহ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যে অনেকে জন্ম হয়ে যায়। তবে ৩৭ সপ্তাহ আগে যদি বাচ্চা জন্মগ্রহণ করে তাকে অপরিপক্ক বাচ্চা বলা হয়ে থাকে।

ছেলে বাচ্চার জন্মের সময়কাল

অনেকে জানতে চায় যে, ছেলে বাচ্চার জন্মের সময়কাল সম্পর্কে। আসলে এটা একটি নির্দিষ্ট সময়ে জন্মগ্রহণ করবে। তাই এই সময় সম্পর্কে আমাদের জানার অবগত হওয়া দরকার। চলুন, বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

গর্ভবতীরা গর্ভস্থ শিশু নিয়ে মানসিকভাবে টেনশনে থাকে সেক্ষেত্রে কখন জন্মগ্রহণ করবে সেটা নিয়ে বেশি বিচলিত থাকে। তাই গর্ভবতী মায়েদের স্বাভাবিক প্রসব হয়ে থাকে ৩৭ থেকে ৪০ সপ্তাহের মত। এই সময়ের মধ্যে সাধারণত বাচ্চা হয়ে থাকে, তবে অনেকে ধারণা করে থাকে যে হয়তো দেরি হয়ে থাকে। তবে ছেলে বা মেয়ে উভয় পূর্ণ সময় হওয়ার পরে কিন্তু জন্মগ্রহণ করে থাকে। তবে অনেকে ধারণা করে থাকে যে ৪০ সপ্তাহের কাছাকাছি গিয়ে ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। তবে প্রত্যেকেরই যে হবে তা কিন্তু নয় কিছু গর্ভবতী মায়ের হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় বাচ্চার সঠিক ওজন

গর্ভাবস্থায় বাচ্চার ওজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই গর্ভাবস্থায় বাচ্চার সঠিক ওজন সম্পর্কে আপনার জানা থাকলে তাহলে আপনার বাচ্চার সঠিক ওজন সম্পর্কে জানতে পারবেন। চলুন, কতটুকু ওজন হলে সঠিক এবং সুস্থ বাচ্চা হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
একজন গর্ভবতী মায়ের প্রথম মাস থেকে একদম শেষ পর্যন্ত কত দিন হতে হবে সেটা আমাদের জানা খুবই প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাচ্চার সুস্থতা নির্ভর করে একজন গর্ভবতী মা যখন সে বাচ্চা কনসেপ্ট করে সেক্ষেত্রে তখন থেকে শুরু করে একদম শেষ পর্যন্ত ১০ থেকে ১২ কেজি ওজন হলে স্বাভাবিক বাচ্চা হবে এবং বাচ্চা সুস্থ থাকবে। এর চেয়ে কম ওজন হলে সে ক্ষেত্রে অসুস্থ বাচ্চা অথবা অপরিপক্ক বাচ্চা হবে। যেটা সার্বক্ষণিক অসুস্থ থাকবে, তাই একজন গর্ভবতী মায়ের আড়াই কেজি থেকে ৩ কেজি বাচ্চা সবচাইতে সুস্থ এবং সঠিক ওজনের বাচ্চা। তবে আড়াই কেজির নিচে যে বাচ্চা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।
তাই একজন গর্ভবতী মায়ের প্রথম থেকে একদম শেষ পর্যন্ত কোন মাসে কতটুকু ওজন হলে সঠিক হবে সে সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক। ৪ মাসের একজন গর্ভবতী মায়ের গর্ভস্থ শিশুর ওজন হতে হবে ১০০ থেকে ১২০ গ্রামের মতো। ৫ মাস বয়সের বাচ্চার ওজন হবে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রামের মত। তাছাড়া ৬ মাস বয়সে হবে সে ক্ষেত্রে ওজন হবে ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম। ৭ মাস বয়সের একজন গর্ভস্থ শিশুর ওজন হবে ১.২ কেজি থেকে ২ কেজি। ৮ মাস বয়সে গর্ভস্থ শিশুর ওজন হবে ১.৮ থেকে ২ কেজি এবং ৯ মাস বা ৩৬ সপ্তাহ থেকে ৪০ সপ্তাহের বয়স ২.৫ থেকে ৩.২ কেজি।

মেয়ে সন্তান কত সপ্তাহে হয়

অনেকে জানতে চায় যে, মেয়ে সন্তান কত সপ্তাহে হয়? মেয়ে বা ছেলে এরকম কোন কথা নয়। সব সন্তান নির্দিষ্ট সময়ে হয়ে থাকে। তবে কিছু পার্থক্য হয়তো থাকতে পারে। এ বিষয় বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

ছেলে বা মেয়ে উভয় সন্তান নির্দিষ্ট সময়ে জন্মগ্রহণ করবে সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪০ সপ্তাহের মধ্যেই স্বাভাবিক প্রসব হয়ে থাকে। তবে এর উপরে সাধারণত খুবই কম সময় লাগে। তবে শিশু গড় জন্ম ৩০ থেকে ৪২ সপ্তাহের মধ্যে হয়ে থাকে। এছাড়াও প্রসবের সময় বিভিন্ন কারণে অনেক সময় মায়ের স্বাস্থ্যগত বা ইতিহাস সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী। সাধারণত বাচ্চার বৃদ্ধি এবং বিকাশ করে থাকে। তবে মেয়ে সন্তান সাধারণত অল্প সময়ের মধ্যেই হয়ে থাকে। এটা অনেকেই ধারণা করে থাকে বা প্রচলন কথা রয়েছে কিন্তু এ ধরনের কোন বিজ্ঞানী ধারণা নেই। অনেক মেয়ে সন্তানও ৪২ সপ্তাহে হয়ে থাকে।

বাচ্চার ওজন কত হলে নরমাল ডেলিভারি হয়

বাচ্চার ওজনের সাথে নরমাল ডেলিভারির সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তাই বাচ্চার ওজন কত হলে নরমাল ডেলিভারি হয়? তবে নরমাল ডেলিভারি ক্ষেত্রে ওজনের সম্পর্ক রয়েছে। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।

নরমাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে গর্ভবতী মায়ের সাধারনত এই সময় শরীরে গঠন বাচ্চার অবস্থান তার সুস্থতার সকল কিছুই নির্ভর করবে। যদি কোন গর্ভবতীর ডায়াবেটিস, হাইপ্রেসার, এই ধরনের রোগ ব্যাধি হয়ে থাকে তাহলে নরমাল ডেলিভারি হওয়া অসুবিধা হবে। সাধারণত ২.৫ কেজি থেকে সাড়ে ৩ কেজি হলে স্বাভাবিক ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাছাড়া ৪ কেজির উপরে যদি বাচ্চা হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে সিজার করা লাগে। তবে যদি ডাক্তার আপনাকে সিদ্ধান্ত দেয় তাহলে নরমাল ডেলিভারি করানো যাবে। সবচাইতে ভালো ওজনের সঠিক বাচ্চা হল ৩ কেজি এতে বাচ্চা সুস্থ এবং স্বাভাবিক ডেলিভারি হবে।

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার লক্ষণ

অনেক গর্ভবতী জানতে চায়, নরমাল ডেলিভারি হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে। আসলে নরমাল ডেলিভারি হওয়ার ক্ষেত্রে একজন চিকিৎসক পরামর্শ দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনার পরামর্শ অনুযায়ী ডেলিভারি করতে হবে। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

নরমাল ডেলিভারি বা স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে গর্ভবতী মায়েদের শেষের দিকে কিছু শারীরিক পরিবর্তন হয়ে থাকে। যেমন পেটে চাপ লাগা, অনেকের হালকা রক্তপাত হয়ে থাকে, পানি ভেঙ্গে যেতে পারে। এছাড়াও জরায়ুর সংকোচন বা প্রসারণ দেখা দিতে পারে। তবে বাচ্চা জন্মগ্রহণের পূর্ব মুহূর্তে পেশি গুলো নিয়মিতভাবে সংকুচিত হতে থাকে আবার অনেকের তীব্র ব্যথা হতে পারে, সংকোচনের কারণে এই জরায়ুর সংকোচন হওয়ার কারণে বোঝা যাবে নরমাল ডেলিভারি হতে পারে। প্রসবের সময় জরায়ুর মুখ অনেকটা খুলে যায় বা প্রসারিত হয় এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হল পানি ভাঙতে থাকবে, এছাড়াও যে থলি রয়েছে সেটা ভেঙে গিয়ে পানি বের হতে পারে এটা একটি নরমাল ডেলিভারি হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকের হালকা রক্ত আসতে পারে, জরায়ুর মুখ খোলার সাথে সাথে হালকা রক্ত বা সাদা স্রাব হতে পারে। তাছাড়াও পেটে চাপ লাগে এবং কোমরে ব্যথা হতে পারে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। সবার আগে শিশু সাধারণত নড়াচড়া পরিবর্তন করতে পারে। এক্ষেত্রেও নড়াচড়া পার্থক্য বোঝা যেতে পারে এটাও নরমাল ডেলিভারি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এ বিষয়গুলো যদি আপনার ঘটে তাহলে স্বাভাবিক প্রসব হতে পারে।

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার জন্য করণীয়

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু করণীয় আছে। তাই নরমাল ডেলিভারি হওয়ার জন্য করণীয় সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে পারবেন। চলুন, স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে কি করণীয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
যখন একজন গর্ভবতী মা নিজের নরমাল ডেলিভারি করানোর ইচ্ছা থাকে, সে ক্ষেত্রে নিজেকে সতর্ক থাকতে হবে। যেমন খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং সুষম খাবার খেতে হবে। এতে অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ নিতে হবে। আপনার খাবারের তালিকায় তাজা ফলমূল সবুজ শাকসবজি রাখতে হবে। তাছাড়া ক্যালসিয়াম, আয়রন জাতীয় খাবার গুলো বেশি বেশি খাবেন। এছাড়াও যে খাবার গুলোতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন রয়েছে সেগুলো খেতে পারেন। এতে নরমাল ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

অনেক গর্ভবতী সব সময় শুয়ে বসে থাকে এতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। তাই অলসতা করবেন না, শরীরে ফিটনেস ঠিক রাখবেন, এছাড়া টুকটাক কাজ করতে পারেন, ভারি জিনিসপত্র কাজ করবেন না, হালকা যেগুলো কাজ রয়েছে সেগুলো করতে পারেন। সকাল বিকাল নিয়মিতভাবে হাঁটবেন এতে করে আপনার শরীর ভালো থাকবে এবং নরমাল ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এছাড়াও শারীরিক কঠিন ব্যায়াম গুলো করার চেষ্টা করবেন না। শুধুমাত্র হাটা চলাফেরা করবেন শরীরের যত্ন নেবেন।
অনেক গর্ভবতী মা পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খায় না, এতে তাদের শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি দেখা দেয়। তাই শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে আপনার বাচ্চার উপর প্রভাব ফেলবে। তাই অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খেতে হবে, এতে রক্ত চলাচল দ্রুত বৃদ্ধি পাবে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হবে। স্বাভাবিক প্রসব হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মানসিকভাবে সুস্থতা থাকতে হবে, কেননা মানসিক টেনশন বাচ্চার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এতে আপনার খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রেও অসুবিধা হবে, শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে না, ঘুম ঠিকমতো হবে না। তাই সবসময় হাসিখুশি থাকতে হবে।

গর্ভবতী অবশ্যই সার্বক্ষণিক যে ধর্মের লোক হক না কেন, সে তার সৃষ্টিকর্তার কাছে সবসময় প্রার্থনা করতে হবে যেন সে সুস্থ থাকে এবং গর্ভস্থ শিশু যেন ভালো থাকে। এজন্য সাধারণত অনেকেই যোগব্যায়াম করে থাকে এই ব্যায়ামটা তেমন একটা পরিশ্রম হয় না কিন্তু মানসিক বা শারীরিক আত্মার পরিশুদ্ধি হয়। সেজন্য আপনি এই ব্যায়াম করতে পারেন, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা করবেন। মানসিকভাবে সুস্থ থাকার চেষ্টা করবেন, এরপরে নিয়মিত হাঁটা চলাফেরা এবং শারীরিকভাবে যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেই ধরনের হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে।

লেখকের শেষ মন্তব্যঃ

পরিশেষে বলা যায় যে ছেলে বা মেয়ে উভয় সন্তান একই সময় জন্ম হয়ে থাকে বা কম বেশি হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট করে কখনো বলা যাবে না যে ছেলে সন্তান দেরি দিতে হবে এবং মেয়ে সন্তান অল্প সময়ের মধ্যে হয়ে থাকে। এই ধরনের কোন বিজ্ঞানের ধারণা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ ধরনের কুসংস্কার কথায় কখনো বিশ্বাস করবেন না। অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে আপনি আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন। তাই ছেলে সন্তান কত দিনে হয়? সম্পর্কে আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে, আশা করি আপনার উপকার হবে। পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধু বান্ধবের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।