সরকারি চাকরির জন্য ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করার উপায় সম্পর্কে জানুন

আপনি যদি ইংরেজিতে দক্ষ হন তাহলে যেকোনো চাকরি পাবেন। তাই ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করার উপায় সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার দ্রুত চাকরি হবে। চলুন, কিভাবে প্রস্তুতি নিলে ইংরেজিতে ভালো করতে পারবেন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
অনেকে হয়তো ইংরেজিতে দুর্বল রয়েছেন যার কারণে সরকারি চাকরি হচ্ছে না। এজন্য আপনাকে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে, তাহলে ইংরেজিতে ভালো করতে পারবেন। তাই ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করার উপায় সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টসূচিপত্রঃসরকারি চাকরির জন্য ইংরেজিতে পাশ করার উপায় সম্পর্কে জানুন

ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করার উপায়

অনেকে সরকারি চাকরির জন্য ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করার উপায় সম্পর্কে জানতে চায়। আসলে সরকারি চাকরি পাওয়াটা অনেক কঠিন, তবে ইংরেজি বিষয়ে যারা পারদর্শি হয়ে থাকে তাদের কাছে খুবই সহজ। চলুন, ইংরেজি বিষয় কিভাবে পাস করবেন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

যে কোন চাকরির পরীক্ষার ক্ষেত্রে অবশ্যই ইংরেজি থাকবে, ইংরেজি প্রশ্নগুলো সঠিকভাবে উত্তর করতে পারলে আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে সরকারি যে কোন চাকরির নিয়োগের প্রশ্নের ক্ষেত্রে অবশ্যই ইংরেজি অংশ থাকে, সে অংশ যদি আপনি ভালো করতে পারেন এবং পাশ করতে পারেন তাহলে চাকরি ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে যাবে এবং চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এজন্য কিভাবে আপনি ইংরেজিতে পাশ করবেন এবং তার উপায় সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। প্রথমত চাকরি পরীক্ষাগুলোতে সাধারণত ইংরেজি প্রশ্ন হয়ে থাকে দুটি অংশে ইংরেজি গ্রামার অংশ এবং ইংরেজি সাহিত্য।

আপনি যদি ইংরেজি গ্রামার সম্পর্কে ভালো বেসিক ধারণা থাকে তাহলে আপনি চাকরির পরীক্ষায় এগিয়ে থাকবেন। এক্ষেত্রে বেসিক প্রিপারেশন যদি থাকে তাহলে ৭০ শতাংশ আপনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়ে গেল। আপনি স্নাতক পাস করে সরকারি চাকরি বা যে কোন চাকরি ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিতে পারেন। তবে এই অবস্থাতে আপনার ধারণাটা আগে থেকেই থাকতে হবে, তাহলে আপনার ৩-৪ মাস আগেই প্রস্তুতি হয়ে যাবে। তাছাড়াও যাদের প্রাথমিক প্রিপারেশনটা প্রস্তুতি শেষ হয়ে যায়। তখন ইংরেজির ক্ষেত্রে গ্রামারের অংশটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা ছাড়া সাহিত্য থেকেও অনেকটাই প্রশ্ন এসে থাকে।
ইংরেজি গ্রামার থেকে সাধারণত বিসিএস এর যদি আপনি প্রস্তুতি নিতে থাকেন তাহলে আপনার প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে ৩৫ নম্বর থাকবে, সে ক্ষেত্রে গ্রামার অংশে ২০-২৫ টার মতো প্রশ্ন রাখতে পারে। এছাড়াও বাকি ৮ থেকে ১০ টি আপনার ইংরেজি সাহিত্য থেকে প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাছাড়া লিখিত পরীক্ষা ৭০ থেকে ৮০ নম্বরের মত পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই বুঝেশুনে ভালোভাবে ইংরেজিতে প্রস্তুতি নিবেন। তাহলে আপনি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবেন, এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রিলিমিনারিতে যখন প্রস্তুতি নিবেন সে ক্ষেত্রে গ্রামার থেকে প্রশ্ন হবে সাহিত্য থেকে হবে।

বিসিএস ছাড়াও সরকারি অন্যান্য চাকরির ক্ষেত্রেও আপনার ইংরেজি থাকবে সে ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ২০ টা প্রশ্ন হয়ে থাকে। সাধারণত সরকারি এই সকল অন্যান্য চাকরি ক্ষেত্রে গ্রামার থেকে বেশি প্রশ্ন হয়ে থাকে। এক থেকে দুইটা প্রশ্ন সাধারণত সাহিত্য থেকে হয়ে থাকে, তাই গ্রামার থেকে আপনার যদি ভালো প্রিপারেশন থাকে তাহলে আপনি সরকারী ছোটখাটো চাকরিগুলো সহজে টিকতে পারবেন। তাছাড়া আরও একটি পরিকল্পনা করতে হবে, বাজারে বিভিন্ন ধরনের জব সলিউশনের বই পাওয়া যায় সেই বইগুলো থেকে বিগত সালের প্রশ্নগুলো সমাধান করতে পারেন, তাহলে ইংরেজিতে প্রায় ৯০% কমন পাবেন।

সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ইংরেজি পরীক্ষা পাশ করা খুবই কঠিন হয়ে যায়, তবে যার ইংরেজিতে বেসিক ভালো রয়েছে তারা খুব সহজে পাস করতে পারে এবং দ্রুত চাকরি পেতে পারে। আপনার বেসিক লেভেল বৃদ্ধি করার জন্য নবম-দশম শ্রেণীর ইংরেজি গ্রামার থেকে প্রস্তুতি নিতে পারেন। এখানে বিভিন্ন ধরনের টপিক রয়েছে সেখান থেকে প্রস্তুতি নিতে পারেন। এক কথায় আপনি যে চাকরির জন্য আবেদন করবেন সে চাকরি নিয়োগ পরীক্ষার বিগত প্রশ্ন দেখার পরে সেখানে কোন বিষয়ের প্রতি কত নম্বরের প্রশ্ন হয়েছে সেগুলো এনালাইসিস করে পড়াশোনা করলে ভালো করবেন এবং পাশ করবেন।

ইংরেজি গ্রামার বেসিক

আপনার যদি ইংরেজি গ্রামার এর বেসিক জানা থাকে তাহলে ভালো কিছু করতে পারবেন, তাই ইংরেজি গ্রামার বেসিক সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন, গ্রামারের বেসিক সম্পর্কে নিম্ন বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।

বিসিএস সহ সরকারি যে কোন চাকরির ক্ষেত্রে ইংরেজি গ্রামার এর প্রয়োজন হয়। বিগত প্রশ্ন এনালাইসিস করলে দেখা যায় যে গ্রামার থেকে অনেক প্রশ্ন হয়েছে এবং কিছু বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নগুলো রয়েছে সেগুলো আপনাকে আত্মস্থ করতে হবে, তাহলে আপনি ভাল ফলাফল পাবেন। এজন্য প্রথমে জব সলুশন থেকে ইংরেজি প্রশ্নগুলোর সমাধান করে নেবেন। বিশেষ করে সরকারি যেকোনো জবের ক্ষেত্রে ৮০% কমন পড়ে যাবে। তাছাড়া পাশাপাশি বিষয় ভিত্তিক যেকোনো টপিকের উপরে খুঁটিনাটি সব জানতে হবে, তাহলে আপনি ইংরেজিতে চাকরির ক্ষেত্রে দ্রুত পাস করতে পারবেন।

এছাড়া বিভিন্ন ধরনের টপিক রয়েছে যেগুলো আপনি জব সলিউশন থেকে যে চাকরিতে পরীক্ষা দিবেন প্রশ্নপত্র দেখে নিতে পারেন। কোন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে সে বিষয়গুলো টপিকভিত্তিক পড়াশোনা করবেন। এজন্য নবম-দশম শ্রেণীর যে ইংরেজি গ্রামার বই রয়েছে সেখান থেকে অনুশীলন করতে পারেন। তাছাড়াও গ্রামার এর জন্য ব্যারেন্স টোফেন,ক্লিপস টোফেল এই বইগুলো দেখতে পারেন। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে উদাহরণ দেয়া আছে যেগুলো অনুশীলনে ভালো সহযোগিতা করবে। তাই প্রতিদিন অল্প অল্প করে প্রত্যেকটা অধ্যায় ভিত্তিক পড়বেন এবং অনুশীলন করবেন।

ভোকাবুলারি পড়ার নিয়ম

প্রত্যেকটা চাকরির ক্ষেত্রে ভোকাবুলারি থাকে, তাই ভোকাবুলারি পড়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে। তাহলে আপনি সহজ ভাবে ভোকাবুলারি সঠিক করতে পারবেন। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
বিশেষ করে বিসিএস সহ যে কোন সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ভোকাবুলারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা ভোকাবুলারি ছাড়া ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবেন না। তাই ভোকাবুলারি প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য প্রতিদিন প্রয়োজনীয় কিছু শব্দ অর্থ পড়ে নিবেন। এছাড়া বিগত সালের চাকরিতে যে ভোকাবুলারি গুলো আসছে, সেগুলো সমাধান করবেন। তাহলে মোটামুটি কমন পাওয়া যাবে, চাকরি পরীক্ষাতে সাধারণত ভোকাবুলারিগুলো আসে সিনোনিম, এন্টনিম হিসাবে। এগুলোতে আপনি ভালো করার জন্য প্রথমত পত্রিকা বেশি বেশি পড়তে পারেন, তাহলে আপনার অনেক শব্দের ভান্ডার থাকবে।
এতে আপনি সহজ ভাবে উত্তর করতে পারবেন, তাছাড়া বাজারে বিভিন্ন ধরনের বই রয়েছে। বিশেষ করে ভোকাবুলারির জন্য বিভিন্ন ধরনের চটি বই রয়েছে, যে বই গুলোর ভোকাবুলারি সব জায়গায় কাজে লাগবে। কয়েকটা কয়েকটা করে শব্দ পড়তে পারবেন, মূলত এভাবেই ভোকাবুলারি প্রস্তুতি নিতে হবে। তাছাড়া সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবে ইংরেজি পত্রিকা যেমন দ্য ডেইলি স্টার এ পত্রিকা থেকে প্রতিদিনের সাম্প্রতিক ঘটনা বিষয়গুলো বাংলায় অনুবাদ করবেন। এছাড়াও শব্দার্থ গুলো জেনে নিবেন তাহলে ভালো প্রস্তুতি হয়ে যাবে।

ইংরেজি লিটারেচার বিসিএস

ইংরেজি সাহিত্যর উপর বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই ইংরেজি লিটারেচার বিসিএস বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই টপিক অনুযায়ী পড়তে হবে। তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। চলুন, ইংরেজি সাহিত্যের বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

ইংরেজি সাহিত্য থেকে সরকারি চাকরিতে বিশেষ করে বিসিএসে ১০ থেকে ১৫ টি প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাছাড়া সরকারি অন্যান্য চাকরি ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩টি প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই প্রশ্নগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ সে ক্ষেত্রে আপনার সাহিত্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন লেখকের পরিচিতি তার বইয়ের নাম এছাড়াও বিভিন্ন উক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাকে জানতে হবে। তার মধ্যে যেমন শেক্সস্পেয়ার, জন স্মিথ, জন কিটস, পি বি শেলী সহ আরো বিভিন্ন ধরনের বিখ্যাত কবি, লেখক রয়েছে। তাদের সম্পর্কে আপনার বিস্তারিত জানতে হবে, এগুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে।

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি ইংরেজি

বিসিএস পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রথমে mcq পরীক্ষা হয়, এরপরে লিখিত পরীক্ষা হয়। তাই বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি ইংরেজি সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। চলুন, ইংরেজি লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে কিভাবে প্রিপারেশন নেবেন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

যদি আপনি প্রিলিমিনারি ভালোভাবে পড়তে পারেন সেক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় অনেকটা এগিয়ে যাবে। এজন্য এমন ভাবে পড়তে হবে যেন প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি নিলে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে বেশি বেশি লিখতে হবে এবং বিভিন্ন পত্রপত্রিকা অনুবাদ করতে হবে। তাছাড়া বাসায় বসে আপনি ঘড়ির সময় ধরে নিজেই প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর করার চেষ্টা করবেন, যদি নির্দিষ্ট সময় এর মধ্যে শেষ করতে পারেন তাহলে কাঙ্খিত নাম্বার পৌঁছাতে পারবেন। তাছাড়াও ট্রান্সলেশন এর সাম্প্রতিক বিষয়গুলো অনুবাদ করার চেষ্টা করবেন, তাছাড়া মডেল টেস্ট দিতে পারেন এতে ভালো ফলাফল পাবেন।

চাকরি পরীক্ষার জন্য ইংরেজি ভালো বই

চাকরি পরীক্ষায় ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে ভালো ইংরেজি বই পড়তে হবে। তাই চাকরি পরীক্ষার জন্য ইংরেজি ভালো বই সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন, এ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

ইংরেজিতে ভালো করার জন্য অবশ্যই ভালো বইয়ের প্রয়োজন। কেননা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে যে ভালো করতে পারবে, সেই মূলত এগিয়ে থাকবে। তাই সরকারি চাকরি বা যে কোন চাকরি ক্ষেত্রে ইংরেজিতে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য প্রথমত আপনার বেসিক ধারণা থাকতে হবে এবং বেসিককে শক্তিশালী করার জন্য নবম দশম শ্রেণীর ইংরেজি গ্রামার ভালো করে পড়তে হবে। পাশাপাশি জব সলিউশনের প্রশ্নগুলো সমাধান করতে হবে, এছাড়াও মাস্টার জাহাঙ্গীর আলমের মাস্টার ইংরেজি বই খুবই ভালো এবং গোছানো রয়েছে, যেখান থেকে আপনি প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

তাছাড়াও ইংলিশ ফর কম্পিটিটিভ এক্সাম এ বই থেকেও আপনি প্রস্তুতি নিতে পারেন, তাহলে আপনার সহজে যে কোন সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে প্রস্তুতি হয়ে যাবে। তাছাড়া youtube এ ভালো ভালো লেকচার দেওয়া রয়েছে, সেখান থেকেও আপনি প্র্যাকটিস করতে পারেন। দেখবেন আপনার কাছে জটিল বিষয়গুলো খুব সহজ মনে হবে। তাই এভাবে যদি ইংরেজিতে প্রস্তুতি নেন এবং পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক প্রিপারেশন নিয়ে থাকেন তাহলে ভালো ফলাফল করবেন।

চাকরির জন্য গণিত প্রস্তুতি

প্রত্যেকটা চাকরিতে গণিতে ভালো করলে সে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চাকরির জন্য গণিত প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানা প্রয়োজন। কিভাবে গণিতে প্রস্তুতি নিলে আপনার চাকরি হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

চাকরিতে ভালো নাম্বার উঠানোর জন্য আপনার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গণিতের দক্ষ হওয়া আর গণিতের দক্ষ হওয়ার জন্য প্র্যাকটিসের কোন বিকল্প নেই। এজন্য আপনি সর্বপ্রথম বেসিক স্ট্রং করতে হবে, আর বেসিক স্ট্রং করার জন্য যে গণিতের বইগুলো প্র্যাকটিস করতে হবে। তার মধ্যে অন্যতম হলো অষ্টম, নবম-দশম শ্রেণীর যে বইগুলো রয়েছে সেগুলো থেকে অংক গুলো সমাধান করতে হবে। তাছাড়া আপনি যে চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিতে চাচ্ছেন সেই চাকরির বিগত প্রশ্ন দেখে সেখান থেকে টপিক গুলো বাছাই করে নবম দশম শ্রেণীর এবং অষ্টম শ্রেণীর বইগুলো থেকে প্র্যাকটিস করতে পারেন।

উপরোক্ত বই থেকে যদি আপনি প্র্যাকটিস করতে পারেন তাহলে আশা করি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবেন, এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিসিএস প্রশ্ন সহ যত প্রশ্ন রয়েছে সেগুলো সমাধান করতে হবে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর চাকরিগুলোতে সাধারণত এই প্রশ্নগুলোই বেশি রিপিট হয়ে থাকে। তাই আপনি এই প্রশ্নগুলোতে বেশি প্রস্তুতি নিবেন, তবে আপনার বেসিক ধারণা মূলত অষ্টম থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এবং জ্যামিতি রয়েছে সেগুলোর প্রতি ভালো দক্ষ হতে হবে।

চাকরির জন্য বাংলা প্রস্তুতি

চাকরির পরীক্ষার জন্য আপনাকে বাংলার উপর ভালো প্রশিক্ষণ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তাই চাকরির জন্য বাংলা প্রস্তুতি সম্পর্কে আপনার জ্ঞান থাকতে হবে। তাহলে আপনি ভালো প্রিপারেশন নিতে পারবেন। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
প্রথমত প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য অবশ্যই প্রশ্নের ক্যাটাগরি জানতে হবে এবং কোন বিষয়ে বেশি প্রশ্ন এসেছে সেগুলো সম্পর্কে আপনার ধারণা নিতে হবে। তাহলে আপনি সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবেন। বিসিএসের সাধারণত বাংলা সাহিত্য রয়েছে এবং ব্যাকরণ থেকে প্রশ্ন হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে দুটি অংশ থেকে আপনাকে পড়তে হবে। এজন্য আপনি নবম দশম শ্রেণীর ব্যাকরণ বইটা খুবই সুন্দর ভাবে খুঁটিনাটি সকল কিছু পড়তে হবে এবং অনুশীলন করতে হবে। তাহলে আপনি খুব সুন্দর ভাবে পারবেন, সাধারণত বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণীর বইটাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
চাকরির ক্ষেত্রে বাংলা ব্যাকরণের জন্য নবম দশম শ্রেণীর বই থেকে বাংলাতে প্রশ্ন হয়ে থাকে। সাধারণত এখান থেকে বেশি প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাছাড়াও আপনি বেসিক ধারণা নেওয়ার পরে বাজারে বিভিন্ন ধরনের বই পাওয়া যায় সেগুলো থেকে যে বইটা আপনার ভালো লাগে সেখান থেকে আপনি অধ্যায় ভিত্তিক অনুশীলন করবেন। আশা করি ভালো ফলাফল পাবেন, বাংলাতে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আরও আপনাকে বাংলা ব্যাকরণের প্রতি দক্ষ হতে হবে। সেই ক্ষেত্রে যে চাকরির জন্য পরীক্ষা দিবেন সেই চাকরির প্রশ্নের প্যাটার্ন দেখে টপিক ভিত্তিক বই ধরে ধরে পড়লে আপনার ভালো পিপারেশন হয়ে যাবে।

আজকের এই আর্টিকেলটি লিখেছেন,
মোহাম্মদ মাহমুদুল ইসলাম
কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

উপসংহারঃ সরকারি চাকরির জন্য ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করার উপায় সম্পর্কে জানুন

পরিশেষে বলা যায় যে সরকারি চাকরি বা যেকোনো চাকরি ক্ষেত্রে ইংরেজী অবশ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন, তার কাছে চাকরি পাওয়া খুবই সহজ। তাই অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি অবশ্যই ইংরেজির প্রতি দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এজন্য নবম দশম শ্রেণীর ইংরেজি গ্রামার থেকে প্রস্তুতি নিতে পারেন। এছাড়াও জব সলিউশন থেকে ইংরেজি অংশের প্রশ্নগুলো যদি বুঝে বুঝে সমাধান করতে পারেন, সে ক্ষেত্রে অনেক ভালো করবেন। তাই ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করার উপায় সম্পর্কে আর্টিকেলে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে, আশা করি আপনার উপকার হবে। পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধু-বান্ধবের নিকট শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।