মিশরীয় সভ্যতা কিভাবে গড়ে ওঠে জেনে নিন এর পতনের কারণ
অনেকে জানেনা যে মিশরীয় সভ্যতা কিভাবে গড়ে ওঠে? এক্ষেত্রে মিশরীয় সভ্যতা সম্পর্কে জানা খুবই প্রয়োজন। যদি আপনি বিভিন্ন সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে চান। চলুন, কিভাবে মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
মিশরীয় সভ্যতা অতি প্রাচীন যুগের একটি সংস্কৃতি এবং সভ্যতা যা যুগ যুগ ধরে চলতেছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে সেই সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। তাই মিশরীয় সভ্যতা কিভাবে গড়ে ওঠে? এ সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
পোস্টসূচিপত্রঃমিশরীয় সভ্যতা কিভাবে গড়ে ওঠে জেনে নিন এর পতনের কারণ
মিশরীয় সভ্যতা কিভাবে গড়ে ওঠে
মিশরীয় সভ্যতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই মিশরীয় সভ্যতা কিভাবে গড়ে ওঠে? সম্পর্কে যদি আপনার জানা থাকে তাহলে মিশরীয় সভ্যতার সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। চলুন, কিভাবে মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল সে সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে যেনে নেওয়া যাক।
এই মিশরীয় সভ্যতা অনেক আগের যুগ থেকেই চলে আসছিল। এটি একটি প্রাচীন সভ্যতা প্রায় আড়াইশো বছরের বেশি এই সভ্যতা গড়ে ওঠে। এই মিশরীয় সভ্যতা নীলনদের তীরে অবস্থিত যেখানে বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মিশরীয় সভ্যতা ফারাও দখল করে শাসন করে, তাছাড়াও তারা বহু ঈশ্বরকে বিশ্বাস করত এবং পিরামিড স্থাপত্য করে ও লিখন পদ্ধতি ভাবে গড়ে ওঠে। তাহলে ৬ হাজার খ্রিস্টপূর্বাব্দে এর দীর্ঘস্থায়িত হয়েছিল। প্রায় ৩ হাজার বছরের মত এই সভ্যতা গড়ে ওঠে। আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তরে অবস্থিত নীল নদের তীরে এখন থেকে প্রায় ৫ হাজার বছর পূর্বে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।
নীলনদ বিখ্যাত হয়েছিল বিভিন্ন কারণে তার মধ্যে অন্যতম নিয়মিত বন্যা হত, উর্বর ভূমি। এছাড়া মিশরীয়দের কৃষি কাজ করার উপযুক্ত ছিল, তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের স্থাপত্যবিজ্ঞান ধর্মীয় বিষয়ে খুবই উন্নত সাধন করে। এ সময়ে এদের রাজা ছিল তারা যেমন ফেরাউন তখনকার শাসন কার্য পরিচালনা করতো। এজন্য তাকে দেবতা মনে করত যার কারণে তাদের নিয়ে পিরামিড গঠন করেছিল। মিশরীয় সভ্যতা গড়ে ওঠার পেছনে আরো কিছু অভিজ্ঞতা থাকে, এদেশের ভাষা আফ্রা এশিয়াটিক ভাষা এ ছাড়াও এই ভাষাটি ও বিলুপ্ত হয়ে যায়। পরবর্তীতে সপ্তম শতাব্দীতে আরবরা বিজয় লাভ করলে আরবি ভাষায় প্রভাবিত হয়।
মিশরীয় সভ্যতা প্রায় দীর্ঘ বছর স্থায়িত্ব ছিল, এক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে প্রাচীন মিশরীয়রা কোন ধরনের মমি তৈরি করত। সেই মমি বিভিন্ন প্রক্রিয়া তারা সম্পন্ন করতো, এই মমি দিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের কাজ করত। প্রথমত মৃত ব্যক্তির নাকের ভিতর ছিদ্র করে মাথার ঘিলু ও মগজ বের করে নিতো। তারপরে লোহা জাতীয় জিনিসগুলো ব্যবহার করত, এরপরে মৃত ব্যক্তির পেটের বাম পাশে দিয়ে কেটে নিয়ে ভিতরে নাড়িভুঁড়ি গুলো বের করে দিত। তারপর শরীরের বিভিন্ন পচনগুলো অঙ্গ পতঙ্গ গুলো ফুসফুস বৃক্ষ কাগজ থেকে এগুলো সব কিছু বের করে ফেলত। এবার পেট সেলাই করে নিতে হবে।
তবে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় যদি পেটের মধ্যে বাতাস ঢুকে পড়ে সে ক্ষেত্রে অসুবিধা হতে পারে। তাছাড়া যদি সেলাই করতে গিয়ে বাতাস ঢুকে পড়ে সে ক্ষেত্রে পছন্দ হতে পারে। তারপরে মৃতদেহটি বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে লবণ দিয়ে মাখানোর পরে শুকাতে দেয়। এরপর যখন শুকিয়ে যায় তখন তারা এক ধরনের গাছ রয়েছে সেই গাছের পদার্থ বা বিভিন্ন মসলা দিয়ে মাখিয়ে নেয়। তারপর ৪০ দিন যখন চলে যায় এরপরে এক প্রকার কাপড় দিয়ে পুরো শরীর পেচিয়ে নেয়, তারপরে মমিগুলো কে সংরক্ষণ করে রেখে দেয় এভাবে তাদের মিশরীয় সভ্যতা আস্তে আস্তে গড়ে ওঠে। তাছাড়াও তারা পিরামিডের ব্যবস্থা করে থাকে।

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url