দুবাই থেকে পর্তুগাল কিভাবে যাওয়া যায় ২০২৫ আপডেট তথ্য জানুন

অনেকে জানতে চায় যে, দুবাই থেকে পর্তুগাল কিভাবে যাওয়া যায়? আসলে দুবাই থেকে যদি আপনি পর্তুগালে যেতে চান সেক্ষেত্রে বৈধভাবে যাবেন। চলুন, কিভাবে বৈধভাবে পর্তুগালে যেতে পারবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
অনেকেরই স্বপ্ন থাকে পর্তুগালে যাওয়ার জন্য কেননা এটি একটি ইউরোপের দেশ, যেখানে অনেক উন্নত মানের জীবন যাপন করা যাবে। এইজন্য অনেকে দুবাই থেকে পর্তুগালে যেতে চায়, তাই দুবাই থেকে পর্তুগাল কিভাবে যাওয়া যায়? এ সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টসূচিপত্রঃদুবাই থেকে পর্তুগাল কিভাবে যাওয়া যায় ২০২৫ আপডেট তথ্য জানুন

দুবাই থেকে পর্তুগাল কিভাবে যাওয়া যায়

অনেকে দুবাই থেকে পর্তুগাল যেতে চায় তাই দুবাই থেকে পর্তুগাল কিভাবে যাওয়া যায়? এ সম্পর্কে আপনার জানা থাকলে প্রতারণা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। চলুন, কিভাবে আপনি বৈধভাবে যেতে পারেন সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

অধিকাংশ বাংলাদেশী তারা বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে প্রথমে টুরিস্ট ভিসায় দুবাই গিয়ে সেখান থেকে পর্তুগাল যাওয়ার জন্য প্রস্তুত নেয়। এজেন্সি বা দালালেরা সাধারণত তাদেরকে বিভিন্নভাবে বুঝানোর মাধ্যমে প্রথমে দুবাই নিয়ে যায় সেখান থেকে তুর্কিতে নিয়ে আসে এবং তারপরে গ্রীসে নিয়ে যায়, এরপর সেখান থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পায়ে হেঁটে নিয়ে যায়। তারপরে পর্তুগাল যাওয়ার স্বপ্ন দেখায়, আসলে বাস্তবে এভাবে যাওয়া সম্ভব না। কেননা বাংলাদেশ থেকে সরাসরি দুবাইতে টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার পরে সেখান থেকে আপনি পর্তুগালে যাওয়া খুবই কষ্টকর।

কেননা এই প্রসেসিং এর মাধ্যমে এজেন্সির বা কিছু দালালেরা আপনাকে বিভিন্ন রাষ্ট্রে নিয়ে যাচ্ছে, এতে করে ইতোমধ্যে আপনার ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার মত খরচ হয়ে যায়। তাছাড়াও অনেক এজেন্সি বা দালালরা আপনাকে বিভিন্ন ধরনের ভুল বুঝাবে যে আপনি সহজভাবেই পর্তুগালে যেতে পারবেন কিন্তু পর্তুগালে কখনোই টুরিস্ট ভিসায় সরাসরি আপনি যেতে পারবেন না। এজন্য অবৈধভাবে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না, এতে করে আপনার অনেক কষ্ট হবে এবং কখনোই যেতে পারবেন না। শুধুমাত্র অর্থনৈতিকভাবে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং মাঝখান থেকে দালালরা টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিবে।

আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ের মাধ্যমে পর্তুগালে যেতে চান, সে ক্ষেত্রে বৈধভাবে যেতে হবে। এজন্য অবশ্যই আপনাকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় দুবাই যেতে হবে, তা না হলে বিজনেস ইনভেস্টমেন্ট বা পার্টনারশিপ ভিসায় দুবাই যেতে হবে। এরপর প্রায় দেড় বছরের মত আপনাকে কাজ করতে হবে এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর জন্য টাকা জমা করতে হবে। তাছাড়া আরো একটি উপায়ে যেতে পারেন সেটা হলো প্রথমত বাংলাদেশ থেকে দুবাই টুরিস্ট ভিসায় যেতে পারেন, এরপরে সেখানে গিয়ে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করে নেবেন, তারপরে ১ থেকে ২ বছর সেখানে কাজ করতে হবে।

এরপরে আপনি কাজের অভিজ্ঞতা নিবেন প্রথমত হয়তো লেবার পদে কাজ করতে পারেন কিন্তু পরবর্তী বন্ধু বান্ধবের মাধ্যমে যেকোন ভালো একটি ফ্যাক্টরি ম্যানেজার বা ভালো কোন পোস্টে সেখান থেকে কাজের অভিজ্ঞতার জন্য সকল অভিজ্ঞতা ও প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে পর্তুগালে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। তাছাড়া আপনি পার্টনারশিপ বা ইনভেস্টমেন্ট ভিসা যদি দুবাইয়ে কাজ করতে পারবেন সে ক্ষেত্রে আপনি পরবর্তীতে টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এজন্য ভালো একটি এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
এছাড়া যদি আপনার পার্টনারশিপের কাজের অভিজ্ঞতা থাকে বা পার্টনারশিপের কাগজপত্রের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র রয়েছে, ব্যাংকের স্টেটমেন্ট রয়েছে সকল কিছু মিলেই আপনি পর্তুগালের জন্য সহজভাবে আবেদন করতে পারেন এবং সহজভাবে যেতে পারবেন। তাছাড়াও এখানে বলে রাখা ভালো যে আপনি কয়েকটি দেশে ভ্রমণ করবেন তাহলে সহজ ভাবে ভ্রমণ ভিসা বা ভিজিট ভিসা পাবেন। তবে কখনোই এক মাসে ৫টি দেশে একসাথে ভ্রমণ করার যাবেনা। সে ক্ষেত্রে এক মাসে দুই থেকে তিনটা দেশের দেশের ভ্রমণ করা যাবে এই ধরনের ভ্রমণের প্রমাণ লাগবে।

তাছাড়া আপনি দুবাই থেকে সরাসরি বিভিন্ন কাজের উপরে ভিসা করে যেতে পারেন। যেমন কৃষি ভিসায় যেতে পারেন অথবা ফুড প্যাকেজিং ভিসার ক্ষেত্রেও অনেক মূল্যায়ন রয়েছে। তার ওপর এই দুবাই থেকে আপনি কাজের অভিজ্ঞতা নিবেন সেই কাজেরও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রেও ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করবেন। এরপরে আপনি দুবাই থেকে সহজ ভাবেই পর্তুগালে যেতে পারবেন। আপনি চাইলে বৈধভাবে দুবাইয়ের কাজ করার বা বসবাস করার যে অভিজ্ঞতা রয়েছে সেগুলো তথ্য নিয়ে আপনি সেনজন ভুক্ত দেশগুলোতে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে আবেদন করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত থাকে বা কাগজপত্র থাকতে হবে, তার মধ্যে যেমন আপনি দুবাই থেকে কাজ করেছেন সে ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১ বছর এর বৈধ প্রমাণপত্র লাগবে। এছাড়া আপনি যে কাজের জন্য যেতে চাচ্ছেন সেই কাজে দক্ষতা অর্জন করে তারপরে আবেদন করতে হবে। এছাড়াও দুবাই থাকার কারণে আপনার পাসপোর্ট এর বয়স কমপক্ষে ১ বছর থাকা লাগবে। এছাড়াও আপনি যে কোম্পানিতে কাজ করতে চাচ্ছেন সে কোম্পানির একটা সার্টিফিকেট নিতে হবে। আপনার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সার্টিফিকেট ট্রানজেকশন হিস্টরি সকল কিছুই দিতে হবে।

আপনি যে দুবাই বসবাস করেছেন সেখানে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সার্টিফিকেট নিতে হবে। আপনার দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে, অবশ্যই সেটা ইউরোপিয়ান সাইজ হতে হবে। এছাড়াও এই সকল কাগজপত্র যদি আপনার কাছে সকল কিছু সঠিক থাকে তাহলে আপনি একটি বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমে এই সকল কিছু জমা দিবেন। এরপরে তারা এই ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদন করবে পরবর্তীতে এজেন্সি আপনাকে ভিসার ব্যবস্থা করে দিতে পারবে।

দুবাই থেকে পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে

অনেকে জানতে চায় যে, দুবাই থেকে পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে? আসলে এটা নির্ভর করবে আপনি কোন ভিসার উপরে যাচ্ছেন। কেননা এক একটা ভিসার দাম এক এক রকম চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

পর্তুগালে সাধারণত কৃষি কাজের অনেক মূল্যায়ন রয়েছে। তারা বিভিন্ন ধরনের ফসল রোপন, কাটা এর জন্য কাজের জন্য শ্রমিক নিয়ে থাকে। বিশেষ করে তারা প্রথমে সেনজেনভুক্ত দেশগুলো থেকে শ্রমিক নেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু যদি সেখান থেকে না পায় তাহলে এশিয়া মহাদেশ থেকে তারা শ্রমিক নিয়ে থাকে। তাই দুবাই প্রবাসী যদি হয়ে থাকেন তাহলে স্বপ্নের দেশ পর্তুগাল যেতে পারবেন এবং অনেক বেশি টাকা পাবেন। এক্ষেত্রে যদি দুবাই থেকে পর্তুগালে বৈধভাবে যেতে চান সে ক্ষেত্রে খরচ হবে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকার মত। তবে বিভিন্ন এজেন্সি এর চেয়ে বেশি টাকা নিতে পারে।

তাছাড়া দুবাই থেকে পর্তুগালে ভিজিট ভিসায় যেতে পারেন কিন্তু এদেশে প্রথমত যেকোনো কাজের ভিসায় এবং দুবাইতে দীর্ঘদিন যাবত ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আপনাকে কাজ করতে হবে। তাহলে আপনি পর্তুগালে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনি যদি ভিজিট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে দুবাইতে গিয়ে থাকেন তবে কখনোই দুবাই থেকে সরাসরি ভ্রমণ বিষয় পর্তুগালে যেতে পারবেন না। এক্ষেত্রে যদি বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসা দুবাইতে যান, তাহলে পর্তুগালে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার খুবই কম খরচ হবে ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকার মধ্যে আপনি ভিজিট ভিসায় যেতে পারবেন।

দুবাই থেকে পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

অনেকে দুবাই থেকে পর্তুগালে যেতে চায়, তাই দুবাই থেকে পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কাজ করার জন্য অনুমতি পেতে অবশ্যই কিছু শর্ত রয়েছে। সেগুলো আপনাকে জানতে হবে, চলুন এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
আপনি যদি দুবাই থেকে পর্তুগালে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যেতে চান সেক্ষেত্রে আপনি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা আপনাকে যদি পছন্দ করে থাকে তাহলে এই ভিসার মাধ্যমে যেতে পারবেন এবং এই ভিসায় কাজ করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত যদি আপনি উচ্চ শিক্ষিত হয়ে থাকেন বা উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন লোক হয়ে থাকেন, তাহলে এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। যেমন আইটি সেক্টর অথবা বিভিন্ন গবেষক কাজের অভিজ্ঞতা থাকে সেক্ষেত্রে এ বিষয়ে ভিসা করতে পারেন। তারা আইটি সেক্টর এবং বিভিন্ন গবেষক হিসাবে লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে।
এছাড়াও পর্তুগালের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য তারা লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে। যেমন কনস্ট্রাকশন এর কাজ, ওয়েল্ডিং এর কাজ, কৃষি কাজ এছাড়াও লেবার বিভিন্ন কোম্পানির সিকিউরিটি গার্ড ইত্যাদি ধরনের লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে আপনি তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে যে কোম্পানি গুলো লোক নিচ্ছে, সেখানে আবেদন করতে পারেন। তাহলেই কোম্পানি যদি আপনাকে জব অফার লেটার দেয় তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনি আবেদন করে ভিসা করতে পারবেন। এরপর আপনি বিশ্বস্ত একটি এজেন্সির মাধ্যমে ভিসার সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে কাগজপত্র জমা দিতে পারেন।

তবে দুবাই থেকে যখন আপনি পর্তুগালে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করবেন সে ক্ষেত্রে কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে। তার মধ্যে অন্যতম হলো অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ থাকতে হবে এবং কমপক্ষে ছয় মাসের মেয়াদ থাকতে হবে। এছাড়া আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং এই দেশের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার সার্টিফিকেট, ব্যাংকের স্টেটমেন্ট থাকতে হবে। কেননা অবশ্যই অর্থনৈতিককে তারা গুরুত্ব দিয়ে থাকে, কেননা আপনি যেন পর্তুগালে যাওয়ার পরে মোটামুটি ভাবে চাকরি পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আপনার পরিবারকে সাপোর্ট করতে পারেন। তাছাড়া পাসপোর্ট সাইজের, কোম্পানির জব অফার লেটার প্রয়োজন হবে।

দুবাই থেকে পর্তুগাল যেতে কত সময় লাগে

অনেকে জানতে চায় যে দুবাই থেকে পর্তুগাল যেতে কত সময় লাগে? আসলে এটা নির্ভর করবে যদি আপনি ভালো মানের বিমানের মাধ্যমে যান এর উপরে। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

সাধারণত দুবাই থেকে পর্তুগালে যেতে বিভিন্ন বিমানের মাধ্যমে গেলে কম বেশি লাগতে পারে। তবে দূরত্ব হিসেবে যদি আপনি ভালো মানের বিমানের মাধ্যমে যেতে চান, সেক্ষেত্রে কম সময় লাগবে। যদি কোন লোকাল বিমানের মাধ্যমে যান সে ক্ষেত্রে দেখা যাবে, আরো বেশি সময় লাগতে পারে। সর্বমোট হিসাব করলে বোঝা যায় যে আপনি দুবাই থেকে যখন ফ্লাইট করবেন, বিজনেস ক্লাসিক বিমানের মাধ্যমে যদি যেতে চান সেই ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৭ ঘন্টার মত সময় লাগবে। তবে অবশ্যই বিমান কোম্পানি গুলোর সাথে আপনি যোগাযোগ করে সহজভাবে যেতে পারবেন।

দুবাই থেকে পর্তুগাল ভিজিট ভিসা

অনেকেই দুবাই থেকে পর্তুগালে ভ্রমণ করতে হতে চায়, তাই দুবাই থেকে পর্তুগাল ভিজিট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন। চলুন, এই ভিজিট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

দুবাই থেকে যখন আপনি পর্তুগালের ভিজিট ভিসায় যাবেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস লাগবে। তার মধ্যে অন্যতম হলো পাসপোর্ট থাকতে হবে, তার মেয়াদ থাকতে হবে। তাছাড়া এর সাথে খালি পাতা থাকতে হবে, এছাড়াও পাশাপাশি যদি কোন সেনজেন ভুক্ত দেশে পূর্বে ভ্রমণ করে থাকেন তার ভিসাও সংযুক্ত করে দিতে পারেন। তাছাড়া আপনি যখন ভিজিট ভিসা যাবেন সেক্ষেত্রে পর্তুগালের ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে হবে এবং পাশাপাশি সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আপনার বয়স ১৮ বছর না হলে সেক্ষেত্রে অভিভাবকের তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।
এছাড়াও পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে, পাশাপাশি অবশ্যই ব্যাংকের স্টেটমেন্ট থাকতে হবে। কেননা আপনার ব্যাংকে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা না থাকে তাহলে আপনি ভ্রমণ করার জন্য অনুমতি পাবেন না। পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট, হেলথ সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে।এছাড়াও হোটেল বুকিং থেকে শুরু করে কোন হোটেলে থাকবেন এবং খাওয়া-দাওয়া করবেন। এর খরচ বহন করার মত সক্ষমতা থাকতে হবে এবং সেগুলোর প্রমাণপত্র সহ আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। যদি সেনজেনভুক্ত যে কোন একটি দেশে ভিজিট ভিসা করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ২৭ টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন।

দুবাই থেকে পর্তুগাল কত কিলোমিটার

অনেকে জানেনা দুবাই থেকে পর্তুগাল এর দূরত্ব সম্পর্কে। তাই দুবাই থেকে পর্তুগাল কত কিলোমিটার এ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন, এর দূরত্ব কত কিলোমিটার সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
দুবাই থেকে পর্তুগালের দূরত্ব সাধারণত অনেক দূরবর্তী হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে হয়তো অনেকে দূরত্ব সম্পর্কে জানেন না। তাই অনেকে বিভিন্ন সঠিক তথ্য জানার জন্য গুগলে সার্চ করেছেন। তাই সঠিক তথ্য পেতে পারেন, এজন্য সঠিক তথ্য হিসেবে বলা যেতে পারে দুবাই থেকে পর্তুগালের দূরত্ব প্রায় ৭০০০ কিলোমিটার এর মতো। অথবা এর চাইতে হয়তো কম বেশি দূরত্ব হতে পারে, তাই সেভাবেই আপনি প্রস্তুতি নিয়ে থাকবেন, তাহলেই আপনি সহজ ভাবে যেতে পারবেন। তাই অবশ্যই দূরত্বকে মাথায় রেখে আপনার প্রস্তুতি নিতে হবে।

লেখকের শেষ কথাঃ

পরিশেষে বলা যায় যে যদি আপনি দুবাই থেকে পর্তুগালে যেতে চান, সে ক্ষেত্রে বৈধভাবে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। এছাড়াও বিশ্বস্ত এজেন্সি ছাড়া বা দালালের মাধ্যমে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না, সে ক্ষেত্রে যদি দালালের খপ্পরে পড়েন, তাহলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কিভাবে আপনি দুবাই থেকে পর্তুগালে যেতে পারেন তার তথ্য জানতে হবে। তাই দুবাই থেকে পর্তুগাল কিভাবে যাওয়া যায়? সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলের সুন্দরভাবে সঠিক তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যাতে আপনার উপকার হয়। পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধু বান্ধবের নিকট শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।