জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কতদিন লাগে ২০২৫ জেনে নিন সংশোধন ফি

অনেক সময় জন্ম নিবন্ধন করতে বিলম্ব হয়, তাই জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কতদিন লাগে? সম্পর্কে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন তাহলে দ্রুত জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন। চলুন, জন্ম নিবন্ধন করতে সত সময় লাগতে পারে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
বর্তমানে যেহেতু অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন তৈরি করা হচ্ছে সে ক্ষেত্রে দ্রুত গতিতে কাজ করা যাবে। তবে অবশ্যই সকল কাগজপত্র সঠিক থাকতে হবে। তাই জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কতদিন লাগে? এ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টসূচিপত্রঃজন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কতদিন লাগে ২০২৫ জেনে নিন সংশোধন ফি

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কতদিন লাগে

অনেকে জানতে চায় যে, জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কতদিন লাগে? আসলে আপনার কাজের ধরন বুঝে আপনি কি ধরনের কাজ করবেন তার উপর নির্ভর করবে। চলুন, জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার ক্ষেত্রে কতদিন লাগতে পারে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

জন্ম নিবন্ধন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা রাষ্ট্রীয় প্রত্যেকটি কাজের ক্ষেত্রে এটা গুরুত্বপূর্ণ, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থা সকল ক্ষেত্রেই এই জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন। এছাড়া অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্ষেত্রেও জন্ম সনদের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করা খুবই সহজ, কেননা পূর্বে অনেকটাই কষ্টদায়ক ছিল বর্তমানে অনলাইনে করার কারণে সহজভাবে করা যায়। প্রতিটি ক্ষেত্রে সুবিধা হয়, প্রথমত আপনি অনলাইনে আবেদন করবেন এরপরে তারা যাচাই বাছাই করে জন্ম নিবন্ধন এর কাজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। সাধারণত দুদিনের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায়।
তবে বিভিন্ন কারণে হয়তো সময় বেশি লাগতে পারে যেমন কাজের জন্য সমস্যা হতে পারে। আপনি যখন নথিপত্র জমা দেবেন সেই ক্ষেত্রে যদি কোন তথ্য ভুল দিয়ে থাকেন তাহলে সেটা যাচাই-বাছাই করতে একটু সময় বেশি লাগে। এ ছাড়া কিছু অফিসে প্রচুর পরিমাণে কাজ থাকার কারণে একটু দেরি হতে পারে সাধারণত ১ থেকে ২ দিনের মধ্যেই কার্যক্রম শেষ করে দেয়। এছাড়া আপনি যদি জন্মের অনেক দিন পরে জন্ম নিবন্ধন করতে আসেন সে ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই করতে বিলম্ব হতে পারে। তাছাড়া নিজের অলসতার কারণে দেরি করে ফেলেন সে ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই-বাছাই করতে দেরি হতে পারে।

তাছাড়া আপনার জন্মের তারিখ বা সাল বা অন্যান্য কিছু তথ্য রয়েছে যেগুলো ভুল দিয়ে থাকলে সেটা যাচাই-বাচার করা সমস্যা হতে পারে। এজন্য অবশ্যই আপনার জন্ম সাল নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে তথ্যগুলো আগে যাচাই বাছাই করে নিতে হবে। যেন কোন ভুল তথ্য না থাকে কেননা সংশোধন করতে অনেক সময় লাগতে পারে। যদি বিলম্ব হয়ে থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে রেজিস্টার অফিসে আপনি দ্রুত গতিতে যোগাযোগ করবেন। এছাড়া অনেক সময় ওয়েবসাইটের সার্ভারের সমস্যা থাকার কারণে কাজ করতে পারে না, এই জন্য বিলম্ব দেখা দিতে পারে।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম

অনেকে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারে না, তাই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম সম্পর্কে জানা থাকলে নিজেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। চলুন, কিভাবে আবেদন করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

প্রথমত অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন তৈরি করার জন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এজন্য www.bdris.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন এর মধ্যে মধ্যে প্রবেশ করতে হবে এবং একটি ফরম পাবেন।ফর্মে সঠিক তথ্য পূরণ করতে হবে, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা দিবেন, এরপরে সাবমিট বাটন পাবেন সেখানে সাবমিট করে দিতে হবে। তারপর প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্ট কপি লেখা রয়েছে সেখানে আপনি ক্লিক করবেন। তাই নিজেই আবেদন করতে পারবেন খুবই সহজ ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রবেশ করে। সকল তথ্য সঠিক দেবেন এরপরে প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট যে কার্যালয় রয়েছে সেখানে জমা দিতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে

অনেকে জানতে চায় যে, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে? আসলে এটা নির্ভর করবে কাজের উপরে। চলুন, কিভাবে সংশোধন করবেন সে সম্পর্কে নিম্নে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা যাক।

জন্ম নিবন্ধন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ যা ভোটার আইডি কার্ড এর মতই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ চাকরির আবেদন তাছাড়া যে কোন সরকারি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন হয় কিন্তু অনেকে অবহেলায় ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে সংশোধন করতে হয়। তাই সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগতে পারে জেনে নেওয়া যাক। কারো হয়তো বয়সের ক্ষেত্রে ভুল হয়ে থাকে জন্ম তারিখ ভুল হয়ে থাকে অথবা বাবা-মার নামে ভুল হয়ে থাকে অথবা কারো ঠিকানা ভুল হয়ে থাকে ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ভুল রয়েছে। এই সব ভুল সংশোধন করত ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগবে।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কি কি লাগে

অনেকে জানতে চায় যে, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কি কি লাগে? আসলে জন্ম সনদ সংশোধন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। চলুন, এই বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে যেনে নেওয়া যাক।
ছবি
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা ডকুমেন্টস গুলো লাগবে। সেগুলো অবশ্যই জমা দিতে হবে, কারণ আপনি যদি কোন কিছু ভুল করে থাকেন সেটা সংশোধন করার জন্য আবার নতুন করে কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার জন্ম সনদ সংশোধন করা জন্য অনেক সময় এনআইডি বা জাতীয় পরিচয় পত্র কাগজ লাগতে পারে অথবা বোর্ড পরীক্ষার চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট অথবা কাউন্সিলরের প্রত্যয়ন পত্র দিতে হবে। যদি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র না হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে হাসপাতালের যে কোন একটি সনদ ব্যবহার করা যেতে পারে।
যদি আপনার জন্ম নিবন্ধন ঠিকানা সংশোধন করতে হয় সে ক্ষেত্রে জমির খাজনা পরিশোধ করেছেন এরকম একটি রশিদের কপি লাগবে অথবা বিদ্যুৎ বিলের কপি দিতে পারেন। জন্ম তারিখ যদি সংশোধন করতে চান সে ক্ষেত্রে শিশুর টিকার কার্ড লাগবে, বা স্কুলের বোর্ড পরীক্ষার সনদ বা জাতীয় পরিচয় পত্র দিতে হবে। এই সব কাগজপত্র গুলো জমা দিতে হয়। সংশোধন করার জন্য যে সকল ডকুমেন্টস লাগবে তার মধ্যে যেমন নাম যদি ভুল হয়ে থাকে টিকা কার্ডের ফটোকপি দিতে হবে অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বোর্ডের সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

যদি আপনার জন্ম নিবন্ধনের সংশোধনের ক্ষেত্রে পিতা-মাতার নামে ভুল করে থাকে সেটা সংশোধন করার জন্য পিতা-মাতার অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করে নিতে হবে। যদি সার্টিফিকেট থাকে সেটা দিতে হবে, বর্তমান ঠিকানা যদি ভুল হয়ে থাকে সেটা সংশোধন করার জন্য বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি দিতে হবে। এছাড়া স্থায়ী ঠিকানা যদি পরিবর্তন করার সংশোধন করা লাগতে পারে সেক্ষেত্রে নিজ এলাকার চেয়ারম্যান অথবা কাউন্সিলরের প্রত্যয়ন পত্র দিতে হবে, স্থায়ী ঠিকানার খাজনা সহ ইউনিয়ন পরিষদ ফটোকপি জমা দিতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কত টাকা লাগে

অনেকে জানতে চায় যে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কত টাকা লাগে? এটা নির্ধারণ করা রয়েছে, তবে কম বেশি নিয়ে থাকে। তবে জন্ম নিবন্ধন করতে কত টাকা লাগতে পারে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

যদি আপনি জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে চান সে ক্ষেত্রে কত টাকা লাগবে এটা আপনার জানা খুবই প্রয়োজন। কেননা সংশোধন করতে কত টাকা লাগতে পারে এটা যদি আপনার জানা না থাকে, তাহলে বেশি টাকাও নিতে পারে। যদি আপনি জন্ম তারিখ সংশোধন করতে চান সে ক্ষেত্রে ১০০ টাকা নিতে পারে। আর যদি জন্ম তারিখ ব্যতীত অন্য কিছু পরিবর্তন করার করতে চান যেমন নিজের নাম পিতা-মাতার নাম অথবা ঠিকানা সংশোধন করতে চাচ্ছেন সে ক্ষেত্রে ৫০ টাকা লাগবে। অনলাইনে সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন এরপর ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম

জন্ম নিবন্ধন অনেকের বয়স সংশোধন করার প্রয়োজন হয়। তাই জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার সুবিধা হবে। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

অনেকের জন্ম নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে দেখা যায় বয়সের ভুল দিয়ে থাকে বা কম বেশি হয়ে থাকে। জন্ম তারিখ ভুল হয়েছে অথবা সাল ভুল হয়েছে, এ ধরনের সমস্যা সংশোধন করার জন্য কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। প্রথমে সংশোধন করার জন্য বয়সের ক্ষেত্রে সমস্যা করেছেন তা সঠিক বয়স প্রমাণের জন্য যত ডকুমেন্টস আছে সবগুলো অনলাইনে আপলোড করে নিতে হবে এবং জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন করা লাগবে। এর পরে অনলাইনে আবেদন দুই কপি প্রিন্ট করে নিতে হবে, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে জমা দিতে হবে, উপজেলা কর্তৃপক্ষ আবেদনটি যাচাই বাছাই করার পর বয়স সংশোধন করবেন।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন

জন্ম নিবন্ধন যদি ভুল হয় তাহলে সংশোধন করা যায়, তাই জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম জানলে নিজেই আবেদন করতে পারবেন। চলুন, কিভাবে আবেদন করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

জন্ম নিবন্ধন যদি আপনার ভুল হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। এজন্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। তাহল; bdris.gov.bd/br/correction ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রবেশ করবেন। এরপরে আপনি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য যে ডকুমেন্টসগুলো প্রয়োজন সেগুলো দিতে হবে। প্রথমত আপনার জন্ম নিবন্ধন নাম্বারটা দিবেন, এরপরে সঠিক তথ্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো আপলোড করে দিতে হবে। এরপর আবেদনের কপি করে অফিসে জমা দিতে হবে। অনলাইনের মাধ্যমে সংশোধন ফি জমা দিয়ে চালান কপি কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিলে সংশোধন করে দিবে।

অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ডাউনলোড

অনেকে অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের কপিটা ডাউনলোড করতে পারেনা। তাই অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ডাউনলোড কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে জানা থাকলে সহজভাবে ডাউনলোড করতে পারবেন। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

আপনার জন্ম নিবন্ধন কার্ড যদি ডাউনলোড করতে চান সে ক্ষেত্রে প্রথমে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। এজন্য আপনি যে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন তা হলো everify.bdris.gov.bd এর পরের ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বারটা দিতে হবে, জন্ম তারিখ দিতে হবে, এরপরে ক্যাপচা পূরণ করে সার্চ বাটনে ক্লিক করবেন. এরপরে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে নেবেন। তাছাড়া প্রিন্ট কপি লেখা থাকবে সেখানে ক্লিক করে প্রিন্ট আউট করতে পারেন। শুধুমাত্র আপনি ডিজিটাল বা অনলাইনে নিবন্ধন করা আছে সেটাই শুধু ডাউনলোড করতে পারবেন, তাছাড়া ডাউনলোড করতে পারবেন না।

অনলাইন জন্ম নিবন্ধন যাচাই

আপনার জন্ম নিবন্ধন সঠিক হয়েছে কিনা জানার জন্য অনলাইন জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা যেতে পারে। সেজন্য কিছু দিকনির্দেশনা রয়েছে, চলুন, কিভাবে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করবেন সেটা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা যায় সে ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে এবং কয়েকটি ধাপ পূরণ করতে হবে। আপনার জন্ম সনদ নিজেই যাচাই করতে পারবেন। এজন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে everify.bdris.gov.bd এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দিতে হবে। এরপর একটি ফরম পাবেন সেই ফর্মটা জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দিয়ে ফরম পূরণ করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন ১৭ ডিজিটের যে নাম্বারটা রয়েছে সেটা দিতে হবে। এরপরে আপনার জন্ম তারিখটা দিতে হবে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন যাচাই করার জন্য আপনি জন্ম তারিখ দিবেন, প্রথমে বছর দিবেন তারপরে মাস এবং সর্বশেষে তারিখ দিয়ে লিখতে পারেন। তাহলে খুব সহজভাবে পূরণ হয়ে যাবে, দেখে দেখে পূরণ করবেন সঠিক অনুসন্ধানে রয়েছে সেখানের বাটনে ক্লিক করে নিবেন এর পরে ফলাফল পেয়ে যাবেন। আপনার নাম জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল কিছুই দেখা যাবে সেখানে আপনার নাম পিতার নাম মাতার নাম জন্ম তারিখ আর অন্যান্য তথ্যগুলো দেখা যাবে কিন্তু যদি আপনি কোন কিছুই খুঁজে না পান তাহলে বুঝে নিবেন যে আপনার তথ্যে ভুল আছে সে ক্ষেত্রে আপনার পুনরায় দেখতে পারেন।

লেখকের শেষ কথাঃ

পরিশেষে বলা যায় যে যদি আপনি জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করতে চান সেক্ষেত্রে কতদিন সময় লাগবে সেটা নির্ভর করবে আপনার ডকুমেন্ট এর উপরে। যদি আপনার সকল কাগজপত্র সঠিক থাকে তাহলে অতি দ্রুত করা যাবে। তবে সাধারণত জন্ম নিবন্ধন করতে ২ দিনের মতো সময় লাগতে পারে। তবে যদি আপনার কাগজপত্র সঠিক না থাকে সেক্ষেত্রে বিলম্ব হতে পারে। তাই সঠিক কাগজপত্র সংগ্রহ করবেন এবং জমা দিবেন। তাই জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কতদিন লাগে? এ সম্পর্কে আর্টিকেলে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি, যদি আপনার উপকারে আসে তাহলে পোস্টটি আপনার বন্ধু-বান্ধবের নিকট শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।