প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ যোগ্যতা ও প্রস্তুতি সম্পর্কে জানুন
অনেকে হয়তো জানেনা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ যোগ্যতা সম্পর্কে। তাই প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা যোগ্যতা কি রকম হতে হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের যোগ্যতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আপনার যোগ্যতা যদি না থাকে, তাহলে আপনি আবেদন করতে পারবেন না। তাই প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
পোস্টসূচিপত্রঃপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ যোগ্যতা ও প্রস্তুতি সম্পর্কে জানুন
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ যোগ্যতা
যারা বর্তমানে প্রাইমারি পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন তাদের প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ যোগ্যতা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তাই শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কি রকম যোগ্যতা থাকতে হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।
প্রাইমারি স্কুলে পূর্বে নারীরা এসএসসি পাস ও এইচএসসি পাশে আবেদন করতে পারত। পরবর্তীতে নারী-পুরুষ সবারই স্নাতক পাশে আবেদন করতে হবে, সে ক্ষেত্রে যে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস বা সমমান এর ডিগ্রী লাগবে। তাছাড়া অবশ্যই দ্বিতীয় শ্রেণীতে পাশ করতে হবে অথবা সিজিপিএ ৪ পয়েন্ট এর মধ্যে ২.২ থাকতে হবে। এছাড়াও জিপিএ ৫ পয়েন্টের মধ্যে ২.৮ থাকতে হবে। তাহলে আপনি প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন। তবে শিক্ষা জীবনে কোন তৃতীয় শ্রেণীর পাশে উত্তীর্ণ হলে আবেদনের যোগ্য হবে না।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়স বর্তমানে ২১ থেকে ৩২ বছর হতে হবে। পাশাপাশি এখানে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কেননা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্ররা তারা গণিত বিষয়ে ভালোভাবে পড়াতে পারবে সেজন্য হয়তো প্রাইমারি শিক্ষকরা যেন ভালো কোয়ালিফিকেশন হতে পারে সেজন্যই হয়তো বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত থাকে এই শর্তগুলো আপনাকে মানতে হবে। তা না হলে আবেদন পত্র বাতিল হয়ে যাবে। তার মধ্যে যেমন অবশ্যই আপনার বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া লাগবে।
প্রাইমারি শিক্ষক বেতন কত
অনেকে জানতে চায় যে, বর্তমানে প্রাইমারি শিক্ষক বেতন কত? আসলে এ সম্পর্কে অনেকে হয়তো জানে না। তবে প্রাইমারি শিক্ষকতা করতে হলে আপনাকে বেতন সম্পর্কে জানতে হবে। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকদের বেতন সাধারণত ১৩ তম গ্রেড দেওয়া হয়ে থাকে। যার মূল বেতন ১১ হাজার থেকে সর্বশেষ হবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা। তবেই মূল বেতন এর সাথে ৫% ইনক্রিমেন্ট হবে। প্রতিবছরে এর সাথে বাড়ি ভাড়া চিকিৎসা ভাতা টিফিন ফি সর্বমোট ১৮ হাজার টাকা মত বেতন পাবেন। আগে প্রাইমারি স্কুলের বেতন ছিল ১৫ তম গ্রেড যেখানে বেতন ভাতা অনেক কম ছিল। পরবর্তীতে ১৩ তম গ্রেড করা হয়েছে। তবে প্রশিক্ষণ দিয়ে যখন চাকরি করলে সে ক্ষেত্রে ১৪ তম গ্রেডে চাকরি করতে পারবেন কিন্তু বর্তমানে প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণহীন উভয় ১৩ তম গ্রেডে বেতন পেয়ে থাকেন।
প্রাইমারি শিক্ষক আবেদন প্রক্রিয়া
প্রাইমারি শিক্ষক আবেদন করার জন্য অবশ্যই দক্ষতা হতে হবে। তাই প্রাইমারি শিক্ষক আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। তাই চলুন, কিভাবে আবেদন করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে অনেকে ভয় পেয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি যেভাবে ধাপে ধাপে আবেদন করবেন সে সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক। প্রথমে অবশ্যই প্রাইমারি নিয়োগের সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে http://dpe.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এপ্লিকেশন ফর্ম অপশন সার্চ করতে হবে। এরপরে আপনি যে পদে আবেদন করবেন সেটা পছন্দ করবেন। এরপরে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য ইত্যাদি সকল কিছু জমা দিবেন। এরপরে পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও সিগনেচার দিতে হবে। এরপরে ফর্ম সাবমিট করে প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করে রাখবেন।
প্রাইমারি পরীক্ষার ভাইভা
অনেকে জানতে চায় যে, প্রাইমারি পরীক্ষার ভাইভা সম্পর্কে। তাই কিভাবে ভাইবা দিলে আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে সে সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন, কিভাবে আপনি ভাইবা দেবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
সরকারি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় যখন আপনি পাস করবেন, সে ক্ষেত্রে ২০ নম্বরের ভাইভা পরীক্ষা দিতে হবে। এজন্য আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর ১০ নম্বর থাকবে এবং আপনার উপস্থিতি সাধারণ জ্ঞান সাংস্কৃতিক ইত্যাদি সম্পর্কে ১০ নম্বর থাকবে। সাধারণত আপনার ভাইবা হয়ে থাকে নিজ জেলার ডিসি অফিসে, সেখানে ডিসি সাহেব থাকতে পারেন। এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এছাড়া আরো ২ জন শিক্ষা কর্মকর্তা থাকতে পারেন। আপনাকে ৪ থেকে ৫ মিনিটের মত সময় উপস্থিত থাকতে হবে। এছাড়াও কিছু প্রশ্ন করবে এবং তারা যাচাই-বাছাই করবে।
তাছাড়া আপনার একাডেমিক শিক্ষাগত যোগ্যতা যদি ভালো থাকে সেক্ষেত্রে ১০ থেকে ১০ ই পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও আপনি গান কবিতা আবৃত্তি বা সংস্কৃতি কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত থাকেন, সেক্ষেত্রে ৩ নাম্বার থেকে ৫ নাম্বারের মতো পেতে পারেন। তবে মূলত ভাইভা পরীক্ষা শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীর বাচনভঙ্গি উপস্থাপনা। তাছাড়াও সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে যেমন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। এছাড়া আপনি যে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে কতটুকু জানেন সে সেক্ষেত্রেও তারা প্রশ্ন করে থাকে। তাই আগে থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে কিছু ধারনা নিয়ে যাবেন।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ সিলেবাস
অনেকে হয়তো জানেনা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ সিলেবাস সম্পর্কে। আসলে আপনি যখন প্রাইমারি সিলেবাস সম্পর্কে জানবেন, তাহলে পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে নিতে পারবেন। চলুন, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের সিলেবাস সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।
আপনি যদি প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে চান, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সিলেবাস সম্পর্কে জানতে হবে। এজন্য ২০২৫ সালের যে সার্কুলারের সিলেবাস রয়েছে, সেটা আপনাকে বিস্তারিত ভাবে জানতে হবে। চলুন, কিভাবে পরীক্ষা হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। প্রথমে আপনাকে লিখিত এমসিকিউ পরীক্ষা দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে বাংলা ইংরেজি গণিত ও সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে আশিটা প্রশ্ন করা হবে, এতে কাট মার্ক রয়েছে। এই জন্য আপনাকে অবশ্যই কখনো ভুল উত্তর দেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে অবশ্যই পূর্বে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা থাকবে এক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিত্ব আত্মবিশ্বাস কথপোথনের দক্ষতা অভিজ্ঞতা বা শিক্ষার প্রতি কেমন আগ্রহ রয়েছে। সকল কিছু যাচাই বাছাই করা হবে, তবে আপনার কম্পিউটারের ব্যবহার সম্পর্কে জানা থাকলে মৌলিক বিষয়গুলো যদি জানতে পারেন। তাহলে আপনার অনেক দিকে এগিয়ে থাকবেন সে ক্ষেত্রে এমএসওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট এবং ইমেইল করা কম্পিউটার ব্রাউজিং করা এই ধরনের কাজ জানা না থাকলে আপনার আরো এগিয়ে থাকবেন এবং আত্মবিশ্বাসী হতে পারবেন।
মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আপনি যখন ভাইবা দিতে যাবেন সেক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে। যদি আপনার সঠিক কাগজপত্র বা তথ্য না দিতে পারেন তাহলে আপনার সমস্যা হতে পারে। তাই চলুন মৌখিক পরীক্ষার জন্য যে কাগজপত্র প্রয়োজন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
প্রত্যেকটা চাকরিতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে আপনাকে ভাইবা দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে আপনার মূল সনদ সহ আরো কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তারা সম্মুখে দেখবে। তাহলে তারা যাচাই বাছাই করতে পারবে, যে আপনার কাগজপত্র গুলো সঠিক কিনা। যাচাই বাছাই করার পরে পরে কাগজপত্র গুলো আপনার লাগবে। সেগুলো অবশ্যই আগে থেকেই সংগ্রহ করে রাখবেন। তার মধ্যে যেমন পরীক্ষার প্রবেশপত্র, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের মূল কপি এবং ফটোকপি সত্যায়িত করে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়াও জাতীয় পরিচয় পত্র অবশ্যই নিতে হবে।
তাছাড়া স্থানীয় ঠিকানা প্রমাণ করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা পৌরসভার মেয়র রয়েছেন তাদের থেকে একটি নাগরিকত্ব সনদ নিতে হবে। তাছাড়া সাম্প্রতিক তোলা আপনার দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত করে নিতে হবে। আপনার চারিত্রিক সনদ নিতে হবে যেটা সত্যায়িত থাকতে হবে, অনলাইনে আবেদন যে করেছেন সেই আবেদন কপি। এ সকল কাগজপত্র অবশ্যই আপনার আগে থেকেই সংগ্রহ করে রাখবেন। সকল কাগজপত্রই মূলকপি এবং এক কপি করে ফটোকপি সত্যায়িত করে নিয়ে রাখবেন। তাহলেই আপনার সমস্যা হবে না।
আবেদনকালে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
যখন আপনি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন করবেন সে ক্ষেত্রে আবেদনকালে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তা না হলে আপনার আবেদন ভুল হলে পরীক্ষায় দিতে পারবেন না। চলুন, কিভাবে আবেদন করলে সঠিক হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
প্রত্যেকটা চাকরির ক্ষেত্রে এখন বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। তবে এক্ষেত্রে অনেক সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে যে বিষয়গুলো ভুল করবেন না এবং সতর্ক থাকবেন নিম্নে সে বিষয়গুলো সম্পর্কে তুলে ধরা হলো। আপনি অনলাইনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এপ্লিকেশন ফর্ম ওপেন করে সঠিকভাবে তথ্যগুলো দিয়ে পূরণ করতে হবে। কোন তথ্য মিথ্যা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না, পরবর্তীতে বাতিল হতে পারে। একজন প্রার্থী অনেকগুলো আবেদন করতে পারবেন না, সে ক্ষেত্রে বাতিল হয়ে যাবে, ছবি ও স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে যে মেগাবাইটের কথা বলা হয়েছে সেই অনুযায়ী আপলোড করতে হবে।
প্রাইমারি চাকরির সুযোগ সুবিধা
অনেকে জানতে চায় যে, প্রাইমারি চাকরির সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে। আসলে সরকারি যে কোন চাকরির ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকে। তবে প্রাইমারি চাকরি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। চলুন, বিষয় বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
প্রাইমারি স্কুলে চাকরি করা মহান পেশা, কেননা ছোট শিশুদের সাথে আপনার একটি ভালো সম্পর্ক হবে। ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত আপনাকে সম্মান করবে, সে ক্ষেত্রে এটা একটি মহান পেশা বলা হয়ে থাকে। শিশুদের প্রথম হাতে-কলমে সাধারণত এই প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের হাতেই হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে এই চাকরিটা গ্রামের ভিতরে আপনাকে অনেক সম্মান করবে। তাছাড়া গ্রাম থেকেই এটা চাকরি করা যায়, প্রায় গ্রামেই সাধারণত প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। একজন শিক্ষক নিজের গ্রামের সন্তানদেরকেও শিক্ষার আলোকিত করতে পারে এবং সমাজে অনেক সম্মান পাবেন।
এছাড়াও যদি আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েন সেই ক্ষেত্রে কল্যাণ তহবিল রয়েছে, সেখান থেকে আর্থিক সহযোগিতা নিতে পারবেন। প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়োগ পরীক্ষার বর্তমানে স্বচ্ছ হচ্ছে যার কারণে কারো সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না। তাছাড়া গ্রাম থেকে পাশাপাশি অন্য কিছু করতে পারবেন। এছাড়াও যদি আপনার যোগ্যতা থাকে সেই ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকে প্রমোশন পেতে পারেন। চাকরি ৫ বছর পূর্ণ হলে আপনি চাকরির শেষে পেনশন পাবেন। এক বছরের পিআরএল পাবেন, মূল বেতনের ২৩০ গুন দিয়ে যে পেনশন হবে। এছাড়াও ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পাবেন।
এই পোষ্টের লেখক
মোঃ মাহমুদুল ইসলাম
কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
লেখকের শেষ কথাঃ
পরিশেষে বলা যেতে পারে, আপনি যদি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা উত্তীর্ণ হতে চান, সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার যোগ্যতা থাকতে হবে এবং প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। কেননা বর্তমানে ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও পড়াশোনা শেষ করে এই প্রাইমারি স্কুলের চাকরি নিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে আপনাকে প্রতিযোগিতা করতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। তাহলে আপনি স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পাবেন। তাই প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬ যোগ্যতা ও প্রস্তুতি সম্পর্কে আর্টিকেলে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে, আশা করি আপনার উপকার হবে। পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধু-বান্ধবের নিকট শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ



এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url