রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে করণীয় কি? সম্পর্কে সঠিক চিকিৎসা জানুন
প্রতিটা মানবদেহে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্তের প্রয়োজন একজন মানুষের ঘরে প্রায় 5 থেকে 6 লিটার রক্ত থাকতে হবে যদি সে সুস্থ থাকতে চায় তাহলে এই পরিমাণ রক্ত তার শরীরে থাকতে হবে চিকিৎসকরা বলেন যে রক্তস্বল্পতা সমস্যা যদি দেখা দেয় সে ক্ষেত্রে এই ধরনের রোগ কে বলা হয় অ্যানিমিয়া যা রক্তের লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন পরিমাণ কমে যায় সাধারণত বেশিরভাগ অ্যানিমিয়া হয়ে থাকে গর্ভবতী মায়েদের এটা এক ধরনের রক্ত কণিকায় অবস্থিত যা প্রোটিন দ্বারা তৈরি করা হয়ে থাকে এর মধ্যে সাধারণত আয়রন এবং অক্সিজেন রয়েছে তাই একজন মানুষের হিমোগ্লোবিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
প্রত্যেকটি সুস্থ মানুষের রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ থাকে সাধারণত পুরুষের জন্য ১৩ থেকে ১৭ গ্রাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৫ গ্রাম এর মত থাকতে হবে এর নিচে যদি কারো হিমোগ্লোবিন কম থাকে সে ক্ষেত্রে শরীরে দুর্বলতা লাগবে তাছাড়াও আরবি বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ রয়েছে যেমন শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে মাথা ব্যথা মাথা ঘুরানো হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ফ্যাকাসে চামড়া বুকে ব্যথা রক্তস্বল্পতা ইত্যাদির সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে যখন আপনার এই ধরনের উপসর্গগুলো দেখা দেবে তখন অতি শীঘ্র একজন চিকিৎসকের নিকট যাবেন তাহলে উনি একটি সঠিক চিকিৎসা দেবেন
আপনার রক্তের হিমোগ্লোবিন যদি সঠিক থাকে তাহলে আপনার শরীরে বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সমস্যা হবে না এবং পুষ্টি উপাদান সঠিকভাবে সরবরাহ হবে রক্তের হিমোগ্লোবিন সঠিক থাকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে আয়রন এই ভিটামিন যদি আপনার শরীরে থাকে তাহলে হিমোগ্লোবিন সঠিক আয়রনের মূলত কাজই হলো আপনার ধমনী থেকে দেহের সব স্থানে অক্সিজেন সরবরাহ করবে আপনার শরীরে যদি হিমোগ্লোবিনের ধারতি দেখা দেয় সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা এজন্য শরীরের সাধারণত ভিটামিন তখনই খনিজ পদার্থ অভাব দেখা দিবে হিমোগ্লোবিনের অভাব সাধারণত ছোট থেকে শুরু করে বড়দের অনেক দেরি সমস্যা দেখা দেয়
রক্তিমোগ্লোবিনের মাত্রা যদি আপনার কমে যায় সে ক্ষেত্রে চুল পড়তে পারে আয়রনের অভাব দেখা দিবে রক্তস্বল্পতার কারণে আপনার শরীরে অবসাদ হয়ে যাবে এবং এমনকি হৃদস্পন্দনের গতি বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া গর্ভবতী মায়েদের সাধারণত এই সময় রক্তস্বল্পতার সমস্যা বেশি দেখা দেয় তবে পুষ্টির কারণে অনেক সময় রক্তস্বল্পতা হতে পারে পুষ্টিবিদদের মতে খাদ্য অভ্যাসের সামান্য পরিবর্তন করতে হবে তাহলে রোগের সাথে লড়াই করা যাবে রক্তের আয়রনের ঘাটতি যদি দেখা যায় সেই ক্ষেত্রে খাদ্য তালিকা আপনি পালং শাক ব্রকলি পনের দিন আপেল তরমুজ বেদানা কুমড়াবির কাঠবাদাম কিসমিস খাওয়া যেতে পারে
যাদের রক্তের হিমোগ্লোবিন কমে গেছে তারা রক্ত হিমোগ্লোবিন বা বৃদ্ধি করার জন্য আয়রনের প্রয়োজন রয়েছে সেক্ষেত্রে আয়রন কে শোষণ করতে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে ভিটামিন সি এর জন্য ভিটামিন সি আপনার খাবার রাখতে হবে বিশেষ করে যেমন কমলা লেবু স্ট্রবেরি আঙ্গুর টমেটো ইত্যাদি ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গুলো খেতে পারেন তাছাড়াও ফলিক অ্যাসিড এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই ভিটামিন বি কমপ্লেক্স খেতে হবে যা আপনার রক্তে লোহিত কণিকা তৈরি করতে ভূমিকা পালন করে থাকে বিশেষ করে সবুজ শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খাবেন এর মধ্যে ফলিক এসিড রয়েছে এতে আপনার রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ
হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রাণিজ প্রোটিনের প্রয়োজন এক্ষেত্রে আপনি লাল মাংস খেতে পারেন যেমন গরুর মাংস খাসির মাংস কলিজা এইগুলোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে এজন্য আপনারা আয়রন হিমোগ্লোবিন কে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে আর যদিও মুরগির মাংস লাল লয় তারপরে মুরগির মাংস খেলে আমাদের শরীরে শরীরে রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করবে রক্তের হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য বা আয়রনের বৃদ্ধি পাওয়ার জনা আরো একটি খাবার খেতে পারেন যেমন ডিম এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি থাকে বিশেষ করে ডিমের হলুদের কুসুমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পুষ্টি থাকে এবং ভিটামিন আছে আর এই দুইটা মিলেই কিন্তু বছর পরিমাণে আয়রন বৃদ্ধি পাবে এছাড়াও অতি দুর্বল লোকদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন একটি করে সিদ্ধ ডিম খাওয়া প্রয়োজন
রক্তের হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য আপেল খাওয়া যেতে পারে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে এবং পুষ্টি রয়েছে প্রতিদিন আপেল ছোঁসাসহ খাওয়া লাগবে খোসা সহ খেলে এতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি পাবেন এবং আয়রন বৃদ্ধি পাবে তাছাড়াও কালো জাম খাওয়া যেতে পারে এর মধ্যে ভিটামিন সি থাকে এবং আয়রন থাকে যা আপনার রক্তের হিমোগ্লোবিনের বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে রক্তের হিমোগ্লোবিনের বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে পারে এজন্য রক্তের যখন বৃদ্ধি পাবে তখন আপনার দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেনের পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে
আয়রন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য এবং রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য চাল গম বার্লি এটা দিয়ে খেলে আপনার রক্তস্বল্পতা দূর হতে পারে এছাড়াও আপনার শরীরে কার্বোহাইড্রেট এর সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে বিশেষ করে লাল চাল খাওয়ার চেষ্টা করবেন এতে করে আয়রনের উৎস আয়রনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সামুদ্রিক মাছ খাওয়া কেন এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে লৌহ থাকে যা আপনার হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করবে এছাড়াও হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করার জন্য আপনি শুকনো জাতীয় ফলগুলো খেতে পারেন বিশেষ করে কিসমিস কাজুবাদাম খেজুর এগুলো খেতে পারেন এর মাঝে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে খেজুর শরীরের হিমোগ্লোবিনের অভাব পূরণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
আপনার শরীরে যদি হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় সেই ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালবেলা তিন থেকে চারটি পেস্তা বাদাম খেতে পারে এতে করে আপনার শরীরের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে তাছাড়া আয়রনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে এছাড়াও এর মাঝে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন থাকে এছাড়াও ডুমুর খেতে পারে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ বি ক্যালসিয়াম আয়রন ফসফরাস ম্যাঙ্গানিজ সোডিয়াম পটাশিয়াম ক্লোরিন ইত্যাদি থাকে এজন্য প্রতি রাত্রিতে এক থেকে দুইটি ডুমুর ফল ভিজিয়ে রেখে দেবেন পরের দিন সকালবেলা থেকে নিয়ে খেতে পারেন হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি পাবে
হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য বৃদ্ধি করার জন্য আপনি বেদানা খেতে পারেন কেননের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম ক্যালসিয়াম আয়রন ভিটামিন সি ইত্যাদি থাকে যার কারণে আপনি অল্প পরিবার হলেও প্রতিদিনের বেদানা খাওয়ার চেষ্টা করবেন তবে সাধারণত রাত্রিতে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যেতে পারে চেষ্টা করবেন প্রতিদিন অল্প পরিমাণ করে হলেও কিসমিস খাওয়ার জন্য কেননের মধ্যে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সহ আয়রন থাকে যা আপনার হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করবে এছাড়া তিল খেতে পারেন কেননা এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ফলেট কপার খরচ পদার্থ ইত্যাদি ঠাকুর বৃদ্ধি করতে সাহায্য। ।

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url