ইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বেতন ২০২৫ সর্বশেষ তথ্য জানুন

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে লোকজন যাচ্ছে কিন্তু ইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বেতন? এ সম্পর্কে হয়তো আপনার জানা নেই, তাই উন্নত দেশগুলোর বেতন কাঠামো সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন, বেতন সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
ইউরোপের দেশ অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি বেতন দিয়ে থাকে। যার কারণে অনেকে ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার জন্য স্বপ্ন দেখে থাকে। তাই ইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বেতন? এ সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টসূচিপত্রঃইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বেতন ২০২৫ সর্বশেষ তথ্য জানুন 

ইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বেতন

অনেকে জানতে চায় যে, ইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বেতন? ইউরোপের দেশগুলোতে বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয় ওই দেশের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের উপর। চলুন, কোন দেশে কি রকম বেতন সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

উন্নত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ইউরোপের দেশগুলো বেশি উন্নত এবং তাদের জীবন যাপনের মান উন্নয়ন ভালো। তাছাড়া বেতন ভাতা অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। ইউরোপের মধ্যে সবচাইতে উন্নত রাষ্ট্র সুইজারল্যান্ড, এই দেশটিতে শান্তিতে মানুষ বসবাস করতে পারে। এদেশের শ্রমিকদের অনেক মূল্যায়ন করে থাকে। তাই মাসে তারা প্রায় ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকার মতো বেতন পেয়ে থাকে। যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি এবং দ্রব্যমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই বেতন নির্ণয় করা হয়েছে। তাছাড়া একজন দক্ষ শ্রমিক মাসে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে।

ইউরোপের মধ্যে যতগুলো উন্নত রাষ্ট্র রয়েছে তাদের মধ্যে জার্মানি অন্যতম। কেননা এদেশে যদি শ্রমিক বা প্রবাসী কাজ করে সেক্ষেত্রে মাসিক বেতন ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকার মতো ইনকাম করতে পারবে। যাদের দক্ষতা থাকে তারা ১০ লাখ টাকার মত ইনকাম করতে পারে। তাছাড়া সুইডেনেও অনেক বেতন দিয়ে থাকে এখানে প্রবাসীদের অনেক নিরাপত্তা থাকে কাজের প্রতি গুরুত্ব থাকে। এছাড়াও সুইডেনে একজন প্রবাসী কাজের পরিবেশ খুব সুন্দর হয়ে থাকে বেতন পেয়ে থাকে সাত থেকে আট লক্ষ টাকার মত। এছাড়াও আরো কাজের দক্ষতা থাকলে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মতো ইনকাম করা যাবে।
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে নরওয়ে উন্নত রাষ্ট্র যেখানে একজন শ্রমিকের কাজের জন্য মাসে বেতন ৭ লক্ষ টাকা। তবে যদি ওভার টাইম করতে পারে সে ক্ষেত্রে আরো এক লাখ টাকা বেশি বেতন পাবে। এছাড়াও অস্ট্রিয়া অনেকে কাজ করতে যাচ্ছে। কাজের অনেক মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে এবং অনেক বেতনের জন্য দেখা যায় বাংলাদেশ থেকে অনেকে। অস্ট্রিয়ায় একজন শ্রমিকের মাসিক বেতন হবে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা এবং ওভারটাইম করলে আরো ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা বেশি পাওয়া যাবে। এছাড়াও ওভারটাইম রয়েছে। আয়ারল্যান্ড নেদারল্যান্ড বেলজিয়াম ফ্রান্স ইতালি মালটা পর্তুগাল ইত্যাদি।

ইউরোপের দেশগুলোতে যে বেতন দেওয়া হয় সেটা বাংলাদেশের টাকার পার্থক্য হল ১ ইউরো সমান বাংলাদেশের টাকায় ১০২ টাকা মত। তাছাড়া এখানে এত বেতন বেশি দিলেও তাদের ভারসাম্য বজায় রেখে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। তা নিয়ে ওরা যে সকল লোকজন রয়েছে স্থানীয় যে সকল লোকজন রয়েছে তারা খাদ্যের উপরে ভ্যাট তৈরি করে দেয়। এক্ষেত্রে মৌলিক যে পণ্যগুলো আছে সেগুলোর উপর দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। যেমন মনে করুন পর্তুগালে যানবাহন যাতায়াত করে থাকে সেক্ষেত্রে জনগণই বহন করবে সে ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডের বেতন তিন গুণ বেশি ব্যয় করা হয়ে থাকে।

তবে যারা প্রবাসী ভাই ও বোনেরা রয়েছেন তারা কর্মজীবীরা তারা কাজ করে খায়। সর্বনিম্ন বেতনে চাকরি করে থাকে কারণ বাংলাদেশ ভরসা নেই। এক্ষেত্রে অনেকের কাজের অভিজ্ঞতা আছে এবং ভাষাগত জ্ঞান রয়েছে। তারা ইউরোপে গিয়ে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেন। বেতন কাঠামো স্থাপন করা আছে। যদি ইউরোপে সুন্দরভাবে জীবন যাপন করতে চান সে ক্ষেত্রে বেতন কাঠামো ভালো রয়েছে। নিশ্চিন্তে আপনি যেতে পারেন কাজের চাহিদা ও রয়েছে তবে একটা বিষয় জানার প্রয়োজন সেটা হল ইউনিয়নে যে দেশগুলো রয়েছে তাদের বছরে বাড়তে থাকে, এক্ষেত্রে ইউরোপের ভিন্ন দেশগুলোতে বিভিন্ন রকমেরই দাম নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

ইউরোপে সর্বনিম্ন বেতন কত

ইউরোপের দেশে অনেকে যেতে চায় কিন্তু ইউরোপে সর্বনিম্ন বেতন কত? এ সম্পর্কে হয়তো অনেকের জানা নেই। তাই সঠিক তথ্য জেনে আপনাকে ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে হবে। চলুন, ইউরোপের দেশগুলোতে বেতন কত সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ইউরোপের দেশগুলো সাধারণত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে অন্তর্ভুক্ত। তাদের বেতন ভাতা ভিন্ন রকম হয়ে থাকে। তবে তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দেশের চাইতে ইউরোপের দেশে বেতন বেশি কিন্তু সর্বনিম্ন বেতন সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক। আপনি যদি বুলগেরিয়াতে কাজ করেন তাহলে মাসে বেতন ৩৩২ ইউরো। তাছাড়া হাঙ্গেরিতে বেতন ভাতা ৪৪৫ ইউরো। ইউরোপের দেশ রোমানিয়ায় মাসিক বেতন ৪৫৮ ইউরো। তাছাড়া লাটবিয়ায় একজন শ্রমিকের সর্বনিম্ন বেতন ৫০০ ইউরো। এরপরে ক্রোয়েশিয়াতে সর্বনিম্ন বেতন ৫৬০ ইউরো। এছাড়া স্লোভাকিয়া লিথুনিয়া ৬০০ থেকে ৬৫০ ইউরো বেতন পাবেন।

ইউরোপে যেতে কত খরচ হয়

ইউরোপের দেশে অনেকে যেতে চায় তবে ইউরোপে যেতে কত খরচ হয়? এ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন তাহলে আপনি ভিসা খরচ সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন। চলুন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ভিসা খরচ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

যদি ইউরোপের দেশ ইতালিতে যেতে চান সে ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা মত খরচ হবে। তাছাড়া বেলজিয়াম যেতে খরচ হবে ৯ থেকে ১১ লক্ষ টাকা। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে অনেকে পর্তুগাল যায় এতে ভিসা খরচ হবে ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা। রাশিয়া যেতে খরচ হবে ১১ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। তবে সরকারিভাবে যদি রাশিয়া যেতে পারেন, সেই ক্ষেত্রে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মত খরচ হবে। আপনি যদি ফ্রান্সে যেতে চান সে ক্ষেত্রে খরচ হবে ১৪ থেকে ১৮ লাখ টাকার মত। এছাড়াও ইউরোপের অস্ট্রিয়া যেতে খরচ হবে ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকার মত। সুইডেনের ভিসা করার জন্য খরচ হবে ১১ থেকে ১৩ লক্ষ টাকার মত।

ইউরোপে কোন দেশের ভিসা সহজে পাওয়া যায়

অনেকে জানতে চায় যে, ইউরোপে কোন দেশের ভিসা সহজে পাওয়া যায়? ইউরোপের প্রত্যেকটা দেশেই ভিসা করা খুবই কঠিন বিষয়। চলুন, কিভাবে সহজ উপায়ে ভিসা করতে পারেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
ছবি
ইউরোপের মধ্যে সেনজেনভুক্ত একটি দেশ আয়ারল্যান্ড। এই দেশে যাওয়া খুবই সহজ তবে অবশ্যই ভিসা আবেদন নিজে করতে হবে। তাহলে খরচ কম হবে, এছাড়াও দ্রুত সহজভাবে যেতে পারবেন। আরেকটি দেশে সহজভাবে যেতে পারেন সেটা হলো লিথুনিয়া। লিথুনিয়া ইউরোপের মধ্যে অন্যতম একটি দেশ যেখানে জীবন যাপন করা খুবই সহজ এবং শিক্ষা ও চিকিৎসার মান অনেক ভালো। এখানে যেতেও কম খরচ হয় এক্ষেত্রে আপনি ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে যেতে পারবেন। এছাড়াও যোগ্যতা এবং ডকুমেন্টস খুব সহজেই পাওয়া যায়। তাছাড়া ইউরোপের আরো একটি দেশ লাটবিয়া দেশেও যেতে পারেন।
এদেশে বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে এবং খুবই কম খরচে যাওয়া যায়। এখানে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারবেন সেক্ষেত্রে স্টুডেন্টরা গেলে ৩ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে যাওয়া যায়। তাছাড়া কাজের জন্য গেলে ৮ থেকে ১৩ লক্ষ টাকার মত খরচ হবে এবং খুবই সহজভাবে যেতে পারবেন। ইউরোপের মধ্যে সুখী রাষ্ট্র ফিনল্যান্ড। ইউরোপের আরো একটি দেশ স্লোভাকিয়া এই দেশটিতে সাধারণত ভিসা খরচ কম রয়েছে এবং জীবন যাপনের মান অনেক ভালো। খুবই কম খরচে সহজ ভাবে যে দেশগুলোতে যেতে পারবেন তাহলো; নেদারল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, ডেনমার্ক, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, পর্তুগাল।

কম খরচে ইউরোপের কোন দেশে যাওয়া যায়

আপনি খুবই কম খরচে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে পারবেন। তাই কম খরচে ইউরোপের কোন দেশে যাওয়া যায়? এ সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার সুবিধা হবে। চলুন, যেসব দেশগুলোতে আপনি কম খরচে যেতে পারবেন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

বিশ্বের মধ্যে সবচাইতে উন্নত রাষ্ট্র সুখী জীবন যাপন উচ্চশিক্ষা সকল বিষয় দিক দিয়ে ইউরোপের দেশগুলো উন্নত। তাই বাংলাদেশের অনেক মানুষই ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে চায়। যদিও ইউরোপের কিছু দেশগুলোতে ভিসা খরচ বেশি হয়ে থাকে। তবে অনেকে জানে না যে ইউরোপের কোন দেশগুলোতে অল্প টাকার মধ্যে যাওয়া যাবে। তাছাড়া ইউরোপে যে কোন কাজের ক্ষেত্রে বেতন বেশি হয়ে থাকে। কম খরচে যে দেশগুলোতে যেতে পারবেন তাহল; ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সার্বিয়া, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, পর্তুগাল, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র ইত্যাদি।

ইউরোপে ওয়েল্ডিং কাজের চাহিদা কেমন বেতন কত

ইউরোপের বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে তার মধ্যে ওয়েল্ডিং এর কাজ কেমন হবে। তাই ইউরোপে ওয়েল্ডিং কাজের চাহিদা কেমন বেতন কত? এ সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি এই কাজের উপর অভিজ্ঞতা নিয়ে যেতে পারবেন। চলুন, এ বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।

বিদেশে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য লোকজন গিয়ে থাকে। তার মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোতে ওয়েল্ডিং এর কাজের অনেক চাহিদা রয়েছে এবং বেতন ভাতা বেশি দিয়ে থাকে। ওয়েল্ডিং এর কাজের ক্ষেত্রে যদি আপনার দক্ষতা থাকে, তাহলে ভালো বেতনে চাকরি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কিছু অঙ্কন করা, মাপ যোগ করা, এছাড়াও পরিবেশ কেমন, শব্দ হচ্ছে কিনা, মানসিক ও শারীরিকভাবে সক্ষমতা ইত্যাদি থাকা লাগবে। তাছাড়া ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়ামের কাজ করা যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে অবশ্যই হাতে কলমে কাজের শিক্ষা নিতে হবে এবং দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

ইউরোপ ভিসা প্রসেসিং

ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে ভিসা প্রসেসিং করতে হয়। তাই ইউরোপ ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে যদি আপনার ধারণা থাকে। তাহলে আপনি নিজেও এই ভিসা প্রসেসিং করতে পারবেন। চলুন, কিভাবে ভিসা প্রসেসিং করতে হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ইউরোপের যেকোনো দেশে যেতে হলে অবশ্যই আপনাকে অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি জানতে হবে। দুটি উপায় আপনি আবেদন করতে পারবেন একটি হল সরকারিভাবে কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে একটু খরচ কম হতে পারে, এছাড়াও যদি বেসরকারি ভাবে যেতে চান, সেই ক্ষেত্রে আপনার আর খরচ একটু বেশি লাগবে। কেননা আপনার যাবতীয় কাজ এজেন্সি করে দেবে। যদি আপনি কাজ করার জন্য যান সেই ক্ষেত্রে জব অফার লেটার প্রয়োজন হবে। তাছাড়া আপনার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট, পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট এবং প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র লাগবে।

ইউরোপ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

ইউরোপের দেশ গুলোতে কাজের জন্য অনেকে যেতে চায়। ইউরোপ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে জানার প্রয়োজন। চলুন, ওয়ার্ল্ড পারমিট ভিসা কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
এদেশ গুলোতে সাধারণত কাজের চাহিদা রয়েছে এবং কাজের মান বেতন বেশি দিয়ে থাকে। তবে অবশ্যই আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা লাগবে। তাহলে আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কাজ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন। কেননা এই দেশটিতে সাধারণত আইটি সেক্টর ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার ইত্যাদি কাজের চাহিদা রয়েছে। এছাড়া আপনি ইউরোপের জার্মানি, নেদারল্যান্ডস দেশগুলোতে কাজ করতে পারবেন এবং ভালো জব পেতে পারেন। সাধারণত ইউরোপের দেশ গুলোতে কৃষিকাজ, পর্যটন এর কাজ ইত্যাদি গুরুত্ব রয়েছে।
তাছাড়া পর্তুগাল, পোল্যান্ড দেশগুলোতে বাংলাদেশের অনেক লোকজন খুব সহজভাবে যেতে পারে। বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারে তাছাড়া কাজের ভিসা করার ক্ষেত্রে বা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করার ক্ষেত্রে যে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার অভিজ্ঞতা শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন আছে, ভাষার জ্ঞান থাকতে হবে। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা অথবা স্থানীয় যে দেশগুলো রয়েছে সে দেশের ভাষা জানতে হবে। অবশ্যই আপনাকে আইএলটিএস করতে হবে। তাছাড়া আপনি চাকরির ক্ষেত্রে অবশ্যই ওয়ার্ক পারমিট ভিসার পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈধ অফার লেটার লাগবে।

এছাড়া আপনি চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান বিভিন্ন অফিসিয়াল জব পোর্টাল রয়েছে, সেগুলোতে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন। তাহলে এখান থেকে আপনি চাকরির অফার পাওয়ার পরে আপনার নিয়োগপত্র সংশ্লিষ্ট ভিসা আবেদন করার ক্ষেত্রে আপনার কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়োগকর্তার জব অফার লাগবে, ভিসা পাসপোর্ট এর লাগবে। এছাড়া শিক্ষাগত সনদ পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট, মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এইগুলো সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে গিয়ে আপনি জমা দিতে পারবেন।

লেখকের শেষ কথাঃ

পরিশেষে বলা যায় যে যদি আপনি ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এদেশের জীবন যাপন এবং বেতন ভাতা সম্পর্কে জানতে হবে। ইউরোপের দেশ গুলোতে যেতে আসলে বেশি খরচ হয়ে থাকে। বাংলাদেশের লোকজন যেতে চায়, কেননা অনেক উন্নত মানের বেতন দিয়ে থাকে। ইউরোপের আরো বিভিন্ন দেশগুলোতে ভ্রমন করতে পারবেন, পড়াশোনার মান অনেক ভালো। তাই ইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বেতন? এই সম্পর্কে আর্টিকেলে সহজ ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি, আশা করি আপনার উপকার হবে। পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধু-বান্ধবের নিকট শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।