হাঙ্গেরি কোন কাজের চাহিদা বেশি জেনে নিন সর্বশেষ আপডেট

আপনি যদি হাঙ্গেরিতে যেতে চান, সেই ক্ষেত্রে হাঙ্গেরি কোন কাজের চাহিদা বেশি? সে সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তাই আবেদন করার মাধ্যমে আপনাকে যেতে হবে। চলুন, কোন কাজের চাহিদা বেশি সে সম্পর্কে জানা যাক।
ছবি
অনেকে হাঙ্গেরি যেতে পছন্দ করেন, কারণ হলো এই দেশ থেকে আপনি সহজেই ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে পারবেন। তাই হাঙ্গেরি কোন কাজের চাহিদা বেশি? সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টসূচিপত্রঃহাঙ্গেরি কি কি কাজের চাহিদা বেশি সর্বশেষ আপডেট জানুন

হাঙ্গেরি কোন কাজের চাহিদা বেশি

আপনি যদি হাঙ্গেরি যেতে চান তাহলে জানতে হবে যে কোন কাজের চাহিদা আছে। তাই হাঙ্গেরি কোন কাজের চাহিদা বেশি? এ সম্পর্কে জেনে যদি আপনি যেতে পারেন তাহলে আপনার জন্য সুবিধা হবে এবং ভিসা করতে সহজ হবে চলুন জানা যাক।

যে কোন দেশে যাওয়ার আগে অবশ্যই আপনার কাজের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তাহলে আপনি সে দেশে ভাল ভাবে কাজ করতে পারবেন এবং ইনকাম করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াও অনেক কাজ করা যাবে সেগুলো দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এজন্য বাঙালি প্রবাসীরা দক্ষতা ভিত্তিক কাজ অনেক বেশি করে থাকে। যে সকল কাজের উপর আপনি দক্ষতা অর্জন করবেন ও হাঙ্গেরিতে যে কাজগুলো চাহিদা রয়েছে সেই সকল কাজ সেগুলো নিম্নে দেওয়া হলো; কনস্ট্রাকশন এর কাজ করতে পারবেন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট এর কর্মী হিসেবে ভিসা নিতে পারেন।
ওয়েল্ডিং শ্রমিক এর কাজের দক্ষতা অর্জন করতে পারেন পেইন্টিং এর কাজ জানতে পারেন প্লাম্বিং এর কাজ করতে পারবেন ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করতে পারবেন ক্লিনারের কাজ করা যাবে ড্রাইভিং এর কাজ করতে পারবেন। উপরোক্ত এই কাজগুলোর মধ্যে থেকে আপনার যেটা সুবিধা হবে সে কাজটি উপরে প্রশিক্ষণ নিয়ে এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করে তারপরে ভিসার জন্য আবেদন করবেন। এর মাধ্যমে আপনি হাঙ্গেরিতে গেলে কাজের অভিজ্ঞতা থাকার কারণে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

হাঙ্গেরি ভিসা ফর বাংলাদেশী

হাঙ্গেরি ভিসা ফর বাংলাদেশী এজন্য আপনাকে হাঙ্গেরি ভিসা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। বর্তমানে হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ যাচ্ছে বা তারা লোক নিচ্ছে।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশে অসংখ্য কর্মী হাঙ্গেরিতে গেছেন আবার অনেকে ভিসার প্রসেসিং অবস্থায় আছে তারা অল্প সময়ের মধ্যেই চলে যেতে পারে। এজন্য আপনি চাইলে কাজের ভিসার মাধ্যমে হাঙ্গেরি যাওয়া যাবে। হাঙ্গেরি ইউরোপের একটি অন্তর্ভুক্ত দেশ হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ এখানে যেতে চায়।কেননা সবারই জানা আছে যে ইউরোপে গেলে পরে যদি যেতে পারেন। তাহলে বেশি বেতনে চাকরি করতে পারবেন আবার সেখানে থাকা খাওয়ার সুবিধা বেশি অনেক কিছুই সুবিধা আছে। এজন্য বাংলাদেশের অনেক লোকজন ইউরোপের দেশগুলো পছন্দ করে থাকে।

আপনার যদি ইউরোপের দেশগুলো পছন্দই হয় সেক্ষেত্রে আপনি কোন চিন্তা না করে অবশ্যই হাংরিতে যেতে পারবেন।পরবর্তীতে সেখান থেকে ইউরোপের দেশগুলোতে চলে যাবেন। তাহলে আপনি অনেক টাকায় বেতন পাবেন এজন্য আপনার টার্গেট থাকতে হবে কিভাবে স্বচ্ছ ভাবে বা বৈধভাবে হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন।

হাঙ্গেরি স্টুডেন্ট ভিসা আপডেট

যারা হাঙ্গেরিতে পড়াশোনা করতে যেতে চান তারা জানতে চায় হাঙ্গেরি স্টুডেন্ট ভিসা আপডেট সম্পর্কে। তাই এ বিষয়ে আপনাকে অবশ্যই ভালোভাবে জানতে হবে। তারপরে যেতে হবে চলুন, এ বিষয় বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
আপনি যদি হাঙ্গেরিতে স্টুডেন্ট ভিসা যেতে চান সেক্ষেত্রে যেতে পারবেন সেই ক্ষেত্রে ৯০ দিনের মতো সময় লাগবে। স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশোনা করতে যেতে চান, আপনি ৯০ দিনের জন্য যদি ভিসা করে হাঙ্গেরিতে পড়াশোনা উদ্দেশ্যে যেতে চান সেই ক্ষেত্রে আপনার আবেদন ফি ৯ হাজার টাকার মত লাগবে। এছাড়াও যাবতীয় খরচ আপনাকে বহন করতে হবে। তাছাড়া দীর্ঘ কোর্সগুলো করতে যাবেন সেই ক্ষেত্রে আপনার ১৬ হাজার টাকার মতো আবেদন ফি জমা দিতে হবে। তাছাড়া আপনার প্রতিবছরে টিউশন ফি কোর্স ভেদে খরচ হতে পারে সে ক্ষেত্রে ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২১ লাখ টাকার মতো লাগতে পারে।
এছাড়া আপনার থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা জন্য মাসে প্রায় ৭০ থেকে ১ লাখ টাকার মত খরচ হতে পারে। তাছাড়া আপনার স্বাস্থ্য বীমা থাকতে হবে সেই ক্ষেত্রে ২৮ থেকে ৭০ হাজার টাকার মতো প্রতিবছর আপনার ব্যাংকে রাখতে হবে। এছাড়া গাড়ি ভাড়ার জন্য ৪২ থেকে ৭০ হাজার টাকার মতো খরচ হতে পারে। স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়ার জন্য কিছু আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট লাগবে। তার মধ্যে প্রথমত অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট থাকতে হবে পাসপোর্ট এর মেয়াদ থাকতে হবে। এছাড়াও পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে, অ্যাপ্লিকেশন কপি লাগবে, যেখানে পড়াশোনা করেছেন তার সার্টিফিকেট লাগবে।

হাঙ্গেরি এম্বাসি ফি কত টাকা

অনেকে জানতে চায় যে, হাঙ্গেরি এম্বাসি ফি কত টাকা? এটা নির্ভর করবে কোন এজেন্সির মাধ্যমে আপনি যেতে চাচ্ছেন। চলুন, এম্বাসির ফি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

আবেদন ফি সহ অনেক টাকা খরচ হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে আপনি বাংলাদেশ থেকে সেনজেন যুক্ত দেশ গুলোতে যেতে হলে ৯৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০০ টাকার মত ফি দিতে হবে। যদি দীর্ঘমেয়াদী ভাবে যেতে সে ক্ষেত্রে আপনার ১৩ হাজার টাকার মত লাগতে পারে। এছাড়াও সার্ভিস চার্জ হিসেবে ৪৮০০ টাকা লাগবে, এছাড়া আপনার আরো আনুষঙ্গিক অনেক টাকা খরচ হবে। সেই ক্ষেত্রে আপনার এজেন্সিতে আরো অনেক টাকায় খরচ হতে পারে। এতে ২ থেকে ৪ লক্ষ টাকার মতো খরচ হবে। তবে এটা নির্ভর করবে আপনি কোন ভিসার উপরে যাচ্ছেন তার উপরে খরচটা নির্ভর করবে।

হাঙ্গেরী ভিসা কি বন্ধ

অনেকে জানতে চায় যে, হাঙ্গেরি ভিসা কি বন্ধ? আসলে এ সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী যদি আপনি হাঙ্গেরিতে যেতে চান। চলুন, এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

আসলে অনেক এজেন্সি আপনাকে লোভ দেখিয়ে বলতে পারে যে হাঙ্গেরি ভিসা চালু রয়েছে। তবে এতোটুকু আপনি নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসেবে জানতে পারেন যে বর্তমানে কাজের ভিসা বন্ধ রয়েছে। তাই কারো প্রলোভনে পড়বেন না। প্রায় ৬ মাসের মত এই ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে কি কারণে বন্ধ রয়েছে সেটা এখনো সরকার জানায় নাই। যে কোন মুহূর্তে সেটা আবার চালু করতে পারে। তবে বর্তমানে স্টুডেন্ট ভিসা খোলা রয়েছে, আপনি স্টুডেন্ট ভিসায় যদি যেতে চান তাহলে এই দেশের ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন করবেন। এছাড়া আপনি যদি সেখানে ব্যবসা করতে চান তাহলে এ ভিসা যেতে পারবেন।

হাঙ্গেরি সিজনাল ভিসা

প্রতি বছরের হাঙ্গেরি সিজনাল ভিসায় লোক নিয়ে থাকে, তাই হাঙ্গেরি সিজনাল ভিসা এর মাধ্যমে যেতে পারবেন কিনা সে সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন সিজনাল ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

হাঙ্গেরিতে প্রতি বছরে ৯ মাস বা ৬ মাসের জন্য সিজনাল ভিসা দিয়ে থাকে কিন্তু বর্তমানে এই ভিসা বন্ধু রয়েছে। যার কারণে আপনি যেতে পারবেন না, যদি আপনি সিজনাল ভিসা যেতে চান সেই ক্ষেত্রে পেশা অনুযায়ী যেতে হবে। তবে বর্তমানে লেবার বা বিভিন্ন কাজের জন্য কনস্ট্রাকশন দিনমজুর ইত্যাদি কাজের জন্য লোক নিয়ে থাকে। সাময়িকের জন্য ফসল উঠানোর জন্য কাজের জন্য লোক নিয়ে থাকে। তবে যখন এই ভিসা চালু হবে সে ক্ষেত্রে আপনি সিজনাল ভিসা যেতে পারবেন এবং নির্দ্বিধায় ৬ মাস অথবা ১২ মাসের জন্য কাজ করতে পারবেন এবং কলিং ভিসা হিসেবে তিন মাসের জন্য যেতে পারবেন।

হাঙ্গেরি টুরিস্ট ভিসা

যারা হাঙ্গেরিতে ভ্রমণ করতে চান তারা জানতে চায় হাঙ্গেরি টুরিস্ট ভিসা সম্পর্কে। চলুন, কি রকম হতে পারে এবং কিভাবে যাবেন ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।

হাঙ্গেরী যেহেতু সেনজেনভুক্ত একটি দেশ যেখানে এই ভিসার মাধ্যমে আপনি একবার গেলে ২৬ টি দেশে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এতে কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে না। তবে কিছু শর্ত রয়েছে সেক্ষেত্রে আপনাকে হাঙ্গেরী দূতাবাসে আপনার অবশ্যই কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। অবশ্য পাসপোর্ট থাকতে হবে, পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে এছাড়াও হোটেল বুকিং এর খরচার ডকুমেন্টস লাগবে। এছাড়া আপনার ভ্রমণ বীমা লাগবে সে ক্ষেত্রে ৩০ হাজার ইউরো মত টাকা থাকতে হবে। ব্যাংকের স্টেটমেন্ট থাকতে হবে সেখানে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা জমা থাকতে হবে।
আপনি যদি চাকরিজীবী হন সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার পেশাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট থাকতে হবে। আর যদি আপনি বিজনেসম্যান হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ট্রেড লাইসেন্স এবং সকল তথ্য থাকতে হবে। এছাড়াও ভিসা ফি আপনাকে দিতে হবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ৮০ ইউরোর মত লাগবে। তাছাড়া আপনার ফিঙ্গারিং দিতে হবে এছাড়া আরো কিছু ডকুমেন্টস তথ্য আপনাকে জমা দিতে হবে।

হাঙ্গেরি ভিসা প্রসেসিং

অনেকে জানতে চায় যে হাঙ্গেরি ভিসা প্রসেসিং কিভাবে করব। আপনি যদি হাঙ্গেরিতে যেতে চান সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। চলুন, এদেশের ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ছবি
হাঙ্গেরি ভিসা প্রসেসিং বাংলাদেশিরা করতে পারবে কেননা এখানে বাংলাদেশে এম্বাসি রয়েছে। যা আপনি এজেন্সির মাধ্যমে সহজ পদ্ধতিতে করতে পারবেন। যদিও বর্তমানে কাজের ভিসা বন্ধ রয়েছে তবে যখন চালু হবে সে ক্ষেত্রে এজেন্সির মাধ্যমে জেনে নিবেন। প্রথমে জব অফার লেটার পেতে হবে সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গিয়ে আবেদন করবেন। তারা যদি পছন্দ করে সেই ক্ষেত্রে আপনি এজেন্সির মাধ্যমে সকল ডকুমেন্ট জমা দিয়ে তারপরে ভিসা ফি জমা দিয়ে দূতাবাসে কাগজপত্র এপ্লিকেশন অনলাইনের মাধ্যমে এপ্লিকেশন করে ভিসার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন।

শেষ মন্তব্যঃ 

পরিশেষে বলা যায় যে যদি আপনি হাঙ্গেরিতে কাজের জন্য যেতে চান সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে তবে বর্তমানে কাজের ভিসা বন্ধ রয়েছে। তাই যে কোন দালালের অথবা এজেন্সিদের কথা শুনে ভিসা প্রসেসিং করেন, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই কাজের ভিসা চালু হতে পারে তখন আপনি যেতে পারবেন। এছাড়াও এদেশের বিভিন্ন ধরনের কাজের চাহিদা রয়েছে, তাই আপনি যখন ভিসা খুলবেন তখন যাবেন। তাই হাঙ্গেরি কোন কাজের চাহিদা বেশি এ সম্পর্কে আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, আশা করি আপনার উপকার হবে। পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধু-বান্ধবের নিকট শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Mahmudul Islam
Md. Mahmudul Islam
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও সরকারি চাকরি করি। আমি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে ইনকাম করি, এছাড়াও ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। এই কাজের উপর আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।